Showing posts with label বিনোদন মজা. Show all posts
Showing posts with label বিনোদন মজা. Show all posts

পুরুষকে মাত করা কিলি জেনার

কিলি জেনার। নামটা মনে হয় কিলিং জেনার হওয়া দরকার ছিল। কারণ, তার যে দেহিক গড়ন, তাতে হাজার হাজার ছেলেবুড়ো কুপোকাত। ২৩ বছর বয়সী এই যুবতীর বসবাস লস অ্যানজেলেসের হোলমবি হিলসে। যে বাড়িতে তিনি বসবাস করেন তার দাম ৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার বা ৩০৭ কোটি টাকা প্রায়। মাঝে মাষেই তিনি নিজেকে উপস্থাপন করে পোস্ট দেন। ইনস্টাগ্রামে তার অগণিত ভক্ত। তাদের উদ্দেশ্যে ২৩ শে নভেম্বর নিজের ইনস্টাগ্রামে কয়েকটি ফটো পোস্ট করেছেন। এতে তিনি সুইটস্যুট পরেছেন। সিলভার কালারের অন্তর্বাস তার মহামূল্যবান সম্পদকে কোনোভাবে ঢেকে রেখেছে। কিন্তু কোথাও কোথাও তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। কেউ কল্পনা করলেই বুঝে নিতে পারেন সেখানকার গঠন ও আকৃতি। তিনি মার্কিন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, সমাজকর্মী, মডেল ও ব্যবসায়ী। এখানে তার সম্পর্কে বিস্তারিত না লিখে, তার নতুন পোস্ট করা সেই ছবিগুলো আপনাদের জন্য তুলে ধরছি। দেখুন তাকে-
Share:

হলিউডের ডানাকাটা পরীরা

হলিউডের একদল ডানাকাটা পরীর সঙ্গে আজ আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেব। তাদের দাপটে সারা বিশ্বে কোটি কোটি দর্শক ভক্ত এখন। এরই মধ্যে অসংখ্য পুরস্কার জিতেছেন তারা। তাদের পিছনে ঘোরেন কত শত নামী, দামী টাকাওয়ালা যুুবক। কিন্তু ভাগ্যের শিকে ছেড়ে না। পাত্তাই পান না। আসলে ভালবাসা তো টাকায় মাপা যায় না। তো চলুন একবার এক এক করে দেখে আসি তাদের।
স্কারলেট জোহানসন তাকে বলা হয় হলিউটের বর্তমান সময়ের সবচেয়ে সেরা অভিনেত্রীদের অন্যতম। একই সঙ্গে সবচেয়ে যৌন আবেদনময়ী হিসেবেও তিনি বিভিন্ন জরিপে এক নম্বরে উঠে এসেছেন কয়েকবার। গোল্ডেন গেøাব এওয়ার্ডের জন্য মনোনীত হয়েছেন। বলা হয়, তিনি হলিউডের সবচেয়ে বেশি বেতনের অভিনেত্রী। তবে তাকে এখন পারিশ্রমিকের দিক দিয়ে ছাড়িয়ে গেছেন আরেক অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্স। স্কারলেট জোহানসনের উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে রয়েছে লুসি, প্রেস্টিজ, দ্য হর্স হুইস্পার, ভিকি প্রমুখ।
জেনিফার লরেন্স এরপরেই যার নাম করতে হয়, তিনি হলেন অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্স। ২০১৮ সাল থেকে তিনিই হলিউডে সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিকের অভিনেত্রী। ২৩ বছর বয়সে তাকে তিনটি অস্কারের জন্য মনোনয়ন দেয়া হয়। এটাই এমন পুরস্কারের জন্য সবচেয়ে কম বয়সী অভিনেত্রীর রেকর্ড। কেন্টাকির লুইসভিলে বসবাস করেন তার পিতামাতা। তিনি অস্কার পুরস্কার পিতামাতার কাছে পাঠিয়ে দিয়েছেন। কারণ, তার ভয় এগুলো চুরি হয়ে যেতে পারে। স্কুলে তার ডাকনাম ছিল নিত্রো।
এমা ওয়াটসন আপনি কি জানেন মানুষ কেন এমা ওয়াটসনকে ভালবাসে? এর কারণ হলো, তিনি যেন একটি ফুলের মতো বিকশিত হচ্ছেন। হ্যারি পটার এন্ড গবলেট অব ফায়ারে অভিনয় করে তিনি বিশ্বজোড়া খ্যাতি পেয়েছেন। এর আগে যারা টিনেজ বয়সে খ্যাতি পেয়েছেন, তারা মাদক আর অন্য নেশায় জীবনকে বেশির ভাগই শেষ করে দিয়েছেন। সেদিক থেকে এমা ওয়াটসন ব্যতিক্রম।
অ্যানি হ্যাথওয়ে দ্য ডেভিলস ওয়্যার প্রাদা’য় অভিনয়ের জন্য তাকে মেরিল স্ট্রিপের সঙ্গে যৌথভাবে গোল্ডেন গেøাব এওয়ার্ড দেয়া হয়েছে। মার্কিন এই অভিনেত্রী অভিনয় করেছেন ডার্ক নাইট রাইজেজ, লাভ এন্ড আদার ড্রাগস, ব্রোকব্যাক মাউন্টেইন সহ বিভিন্ন ছবিতে।
অ্যানজেলিনা জোলি বিশ্বের সেরা সুন্দরী নির্বাচিত হয়েছেন কয়েকবার। মেকআপে তার ভিতর থেকে যেন রূপের ছটা ঠিকরে পড়ে। তার নজরকাড়া ভ্রæযুগল, ঠোঁট যেকাউকে আকৃষ্ট করে। ২০১৯ সালে বিশ্বের সবচেয়ে হটম্যান ব্রাড পিটের সঙ্গে তার বিচ্ছেদ হয়েছে। জিতেছেন অস্কার পুরস্কার। তার রয়েছে ৬টি সন্তান।
এমা স্টোন ২০১২ সালে বিশ্বজোড়া খ্যাতি কুড়ায় দ্য অ্যামেজিং স্পাইডার ম্যান। এতে অভিনয় করে এমা স্টোন খ্যাতি পান। ২০১৪ সালে তিনি বেস্ট সাপোর্টিং একট্রেস একাডেমি এওয়ার্ডে মনোনীত হন। নেটফ্লিক্সে বর্তমানে চলছে তার ‘ম্যানিয়াক’। এটাই প্রমাণ করে তিনি কতবড় অভিনেত্রী।
সান্দ্রা বুলক সান্দ্রা বুলকের থলিতে রয়েছে ডজন ডজন পুরস্কার। থ্রিলার ছবি ‘বার্ড বক্স’ এবং রোমান্টিক কমেডি ‘দ্য প্রপোজাল’ প্রযোজনা ও অভিনয় করেছেন তিনি। ২০১০ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তাকেই সবচেয়ে বেশি উপার্জনের তারকা হিসেবে অভিহিত করেছিল ফোর্বস ম্যাগাজিন। যুক্তরাষ্ট্রের পিপল ম্যাগাজিন তাকে মোস্ট বিউটিফুল ওম্যান নির্বাচিত করেছিল। ২০১০ সালে টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ মানুষের মধ্যে ছিলেন তিনি।
গাল গ্যাডট বহু ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। ব্যাটম্যান ভার্সাস সুপারম্যান: ডন অব জাস্টিস-এ অভিনয়ের জন্য ২০১৬ সালে তিনি ওন্ডার ওম্যান পুরস্কার জেতেন।
ম্যাগট রোবি বিশ্বে সবচেয়ে আকর্ষণীয় অস্ট্রেলিয়ান যুবতী এই ম্যাগট রোবি। মাত্র ১৭ বছর বয়সে তিনি অভিনয় শুরু করেন। অস্ট্রেলিয়ান লোগি এওয়ার্ডে তিনি সবচেয়ে সেরা অভিনেত্রীর দুটি মনোনয়ন পান। ইন্সটাগ্রামে তার অনুসারীর সংখ্যা ১৭.৭ মিলিয়ন। টাইম ম্যাগাজিনে ১০০ প্রভাবশালীর নামের মধ্যে তিনি আছেন।
নাটালি পোর্টম্যান তিনি পুরোপুরি চরিত্রের মধ্যে ডুবে যান। ‘থোর’ সিরিজে মাত করে দিয়েছেন চারদিক।
Share:

ব্রিজিত বার্দোর বাড়িতে কি আছে?

আজ আপনাদেরকে নিয়ে যাবো ব্রিজিত বার্দো’র বাড়ির ভিতর। যারা তাকে না চেনেন, তাদেরকে বলছি, তিনি ১৯৫০ ও ১৯৬০ এর দশকের ফরাসি চলচ্চিত্রের ভীষণ বিখ্যাত একজন অভিনেত্রী। তার যৌবনের উচ্ছলতা দিয়ে সারা বিশ্বকে মাত করে দিয়েছিলেন। ছিলেন রগরগে মডেল, গায়িকা। তার নাম উচ্চারণ করলেই সবার সামনে ভেসে উঠতো একজন আবেদনময়ী অভিনেত্রীর ছবি। তিনি বর্তমানে কেমন আছেন? চলুন দেখে আসি তাকে। তিনি সেইন্ট ট্রোপের এক বাড়িতেই বসবাস করছেন গত ৬২ বছর।  বর্তমানে তার বয়স ৮৫ বছর। বাইরের জগত থেকে বিচ্ছিন্ন চলচ্চিত্রে ঝড়ো এক ইনিংস খেলে তিনি ৬২ বছর আগে সিদ্ধান্ত নেন বসবাস করবেন ফ্রান্সের উপকূলীয় শহর লা মাদ্রাগু’তে। সেখানে তিনি যে বাড়িতে বসবাস করছেন তার সামনেই ওয়াটারফ্রন্ট। কিন্তু বাইরের দুনিয়া থেকে তার বাড়িটি উঁচু দেয়াল, বেড়া তুলে আলাদা করে ফেলা হয়েছে। ভিতরে আছে নানা রকম বিশালাকার গাছ। এখানেই তিনি তার শান্তি আর ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে খুঁজে নিয়েছেন। বে অব ক্যানোউবিয়ার থেকে দৃষ্টিগোচর হয় না তার বাড়ি। তিনি একবার ভ্যানিটি ফেয়ারকে দেয়া সাক্ষাতকারে বলেছিলেন, এই বাড়িটি একেবারে শান্ত। এখানে আমি মেরিলিন মনরো এবং রোমি শিন্ডারের মতো জীবন অতিবাহিত করতে চাই। 
আমি শুধু আমার ভিতর থাকতে চেয়েছি
যদিও তিনি ১৯৫০ এর দশকের একজন বিখ্যাত চলচ্চিত্র তারকা, তবু ওই সময়টাকে তার জীবনের ইতিবাচক হিসেবে দেখেন না সব সময়। ১৯৭৩ সালে যখন তার খ্যাতি সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে, তখন তিনি অভিনয় বন্ধ করে দেন। সিনেমা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন। তারপরই তার ভাষায়, খুঁজে নেন আসল জীবণ। তার ভাষায় ‘এন্ড গড ক্রিয়েটেড ওম্যান’ ছবিতে অভিনয়ের পরে এবং আগে মনে হয়েছিল, আমি যা হতে চাই তা তো কখনোই হতে পারি নি। আমার সেই চাওয়া ছিল সরাসরি এবং সততার। উল্লেখ্য, তিনি নির্লজ্জ যৌনতা এবং পিন-আপ গার্ল হিসেবে সারা বিশ্বে নিন্দিত হয়েছেন। এ সম্পর্কে ব্রিজিত বার্দো বলেন, এসবে মোটেও ক্ষুব্ধ হইনি আমি। আমি তো এমনটা হতে চাই নি। আমি শুধু আমার হতে চেয়েছি।

প্রকৃতির সঙ্গে বসবাস

ব্রিজিত বার্দো যেখানে বসবাস করছেন জীবনের এতগুলো দিন, তা সাজানো হয়েছে তার ইচ্ছে অনুযায়ী।  এর ভিতর ছড়ানো আছে প্রশান্তি। তিনি স্বামী বার্নার্ড ডি’ওরমালেকে নিয়ে বসবাস করছেন সেখানে। তাদের দু’জনের কেউই খুব বেশি মানুষের সঙ্গে সাক্ষাত দেন না। এখন তারা নিজেদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় রাখেন। চারদিকে সাজানো গাছপালা, পশুপাখি, নিরিবিলি পরিবেশের মধ্যে বসবাস করছেন প্রকৃতির সঙ্গে। 

বাড়ির ভিতর কেমন

ব্রিজিত বার্দোর বাড়ির ভিতর দেখতে উষ্ণ এক ইন্টেরিয়রে সাজানো। ১৯৭০ এর দশকের প্রভাব লক্ষণীয়। একবিংশ শতাব্দীর প্রযুক্তি সাবেক এই অভিনেত্রীর কাছে এক আবর্জনা। কলম আর কাগজ ব্যবহার করে তিনি এখনও লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করেন। তিনি যে ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছেন, তা কাজ করে পশুর অধিকার নিয়ে। অনেক বছর ধরে তিনি পশুর কল্যাণের প্রতি প্রতিশ্রæতিবদ্ধ। এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেছেন, পশু রক্ষার চেয়ে গাড়ি রক্ষার জন্য অধিক আইন আছে। এটা এক অদ্ভুত ব্যাপার। এসব পশুর জন্যই আমি কখনো নিজেকে বুড়ো অথবা অনাবশ্যক মনে করি না। তার এসব কথার প্রতিফলন ঘটে তার বাড়ির ভিতরেই। পুরো বাড়িতেই আছে ছাগল, ঘোড়া, ভেড়া এমন কি শূকর। 

অসুস্থ ব্রিজিত বার্দো

সেইন্ট ট্রোপেজে অনেক বছর ধরে আইসোলেশনে ব্রিজিত বার্দো। তবে আর্থাইটিস সহ নানা রকম স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন তিনি। এ জন্য তাকে একটি লাঠিতে ভর দিয়ে হাঁটতে হয়। অসুস্থ হলে কি! তিনি জীবনকে উপভোগ করেন। এখনও প্রতিদিন এক থেকে দুই গøাস শ্যাম্পেন পান করেন। 

আরও ছবি





Share:

করোনায় মারা গেছেন খ্যাতনামা ডিজাইনার কেনজো তাকাদা

জাপানের জনপ্রিয় ফ্যাশন ব্রান্ড কেনজো’র প্রতিষ্ঠাতা কেনজো তাকাদা করোনায় মারা গেছেন। এ সময় তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। প্যারিসে আমেরিকান হাসপাতালে মারা যাওয়ার পর সারা বিশ্ব থেকে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে। তার উজ্বল গ্রাফিক্স, জঙ্গলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রিন্ট এবং রঙে ইলেকট্রিক ব্যবহার তাকে বিশ্বজোড়া খ্যাতি এনে দেয়। তিনি প্যারিসের ফ্যাশন জগতে বিখ্যাত হয়ে ওঠেন। তিনিই প্রথম জাপানি এমন খ্যাতি অর্জনকারী। ১৯৬০ এর দশকে তিনি ফ্রান্সে বসতি স্থাপন করেন। জীবনের বাকি দিনগুলো সেখানেই কাটিয়ে দেন। এ সময়ে তিনি প্রায় ৮০০০ ডিজাইন করেন। তবে এতেই থেমে থাকেননি কেনজো তাকাদা। তার এক মুখপাত্র বলেছেন, তিনি বেঁচে থাকতেন তার আর্টের মধ্যে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। তার মৃত্যুতে শোক জানিয়ে শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছেন প্যারিসের মেয়র অ্যান হিদালগো। তিনি টুইটে লিখেছেন, অপরিসীম মেধার অধিকারী এই ডিজাইনার কালার এবং লাইটকে ফ্যাশন জগতে বড় এক স্থান করে দিয়েছেন। প্যারিস তার একজন সন্তানকে হারিয়ে শোক প্রকাশ করছে। বিলাসবহুল এলভিএমএইসের প্রধান নির্বাহী সিডনি টোলেদানোকে উদ্ধৃত করে ফ্যাশন বিষয়ক সংবাদের ওয়েবসাইট ডব্লিউডব্লিউডি ডট কম লিখেছে, তিনি যখন এই ব্রান্ডের শুরু করেন সেই ১৯৭০ এর দশক থেকে আমি তার ব্রান্ডের ভক্ত। আমি মনে করি তিনি একজন মহৎ ডিজাইনার। অনেক জাপানি তাদের শোক প্রকাশ করেছেন সামাজিক মাধ্যমে। তাদের অনেকে বলেছেন, তাদের প্রথম বিলাসী পণ্যের মধ্যে রয়েছে কেনজো ব্রান্ডের পোশাক। একজন টুইটার ব্যবহারকারী লিখেছেন, আমি প্রথম যে ওয়ালেটটা ব্যবহার করি, সেটা কেনজো ব্রান্ডের। যদিও এটা ছোট্ট একটি জিনিস, তবু আমি চিরদিন এর কথা মনে রাখবো। তার আত্মা শান্তিতে থাকুক। আরেকজন লিখেছেন, আমার মায়ের কাছ থেকে কেনজো ব্রান্ডের পোশাক পেয়েছি। এখনও আমি তা পরি। অনেকে লিখেছেন, তারা কেনজো ব্রান্ডের রুমাল ব্যবহার করেন। জাপানে রুমালের ব্যবহার এখনও জনপ্রিয়। জাপানের হিমেজি’তে ১৯৩৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন কেনজো তাকাদা। এরপর বোটে করে ১৯৬৫ সালে চলে যান ফ্রান্সে। সেখানে বসতি স্থাপন করেন প্যারিসে। ১৯৭০ এর দশকে নিজের নামের প্রথম শব্দ ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক ব্রান্ড কেনজো প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৮৩ সালে পুরুষদের পণ্য চালু করেন। ১৯৮০র দশকে কেনজো জিন্স এবং কেনজো জাঙ্গল নামে আরো ক্যাজুয়াল স্পোর্টসওয়্যার চালু করেন। ১৯৯৩ সালে বিলাসবহুল এলভিএমএইচের কাছে তার পোশাকের ব্রান্ড বিক্রি করে দেন। এর ৬ বছর পরে ফ্যাশন থেকে অবসর নেন।
Share:

Search This Blog

Powered by Blogger.
  • ()

Recent Posts

Pages