কুমড়ো চাষীকে ১৪ লাখ টাকা পুরস্কার!
দ্য টাইগার কিং। নামটার বাংলা করলে দাঁড়ায়- বাঘের রাজা। মনে হতে পারে এই শব্দ কয়টি কোনো বাঘ প্রসঙ্গে বলা। আসলে তা নয়। এটি কোনো পশুর বেলায়ও ব্যবহার করা হয়নি। এই নাম দেয়া হয়েছে একটি কুমড়োকে। যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটায় জন্মেছে একটি কুমড়ো। তা এত্তবড় যে, দেখে যেকেউ ভয় পেয়ে যেতে পারেন। কুমড়োটির ওজন ২৩৫০ পাউন্ড বা প্রায় ১০৬৬ কেজি। একবার কল্পনা করুন কতটা বড় ওই কুমড়ো।
এক প্রতিযোগিতায় এই কুমড়ো হাজির করেছিলেন মিনেসোটার কৃষক ট্রাভিস জিনজার। ক্যালিফোর্নিয়ার উত্তরাঞ্চলে বড় বড় কুমড়োর এক প্রদর্শনী হয়। সেখানে যে যত বড় সম্ভব কুমড়ো নিয়ে হাজির। তাতে যার কুমড়ো সবচেয়ে বড় হয়, তিনি হন বিজয়ী। ওই প্রতিযোগিতার নাম দেয়া হয়েছে ‘সুপার বৌল অব পাম্পকিনস’। সিএনএনকে উদ্ধৃত করে ১৫ই অক্টোবর এ খবর দিয়েছে ইউপিআই।
এতে বলা হয়, ওই প্রতিযোগিতায় নিজের ‘দ্য টাইগার কিং’ উপস্থাপন করে প্রথম পুরস্কার বাগিয়ে নেন ট্রাভিস জিনজার। বিনিময়ে পুরস্কার পান ১৬ হাজার ৪৫০ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ১৩ লাখ ৯৪ হাজার ৬২৬ টাকা বা প্রায় ১৪ লাখ টাকা। প্রতিযোগিতায় যে কুমড়ো বিজয়ী হয় তাকে প্রতি পাউন্ড ওজনের বিপরীতে ৭ ডলার করে পুরস্কার দেয়া হয়। ট্রাভিস জিনজার বলেছেন, তিনি তার কুমড়ার এমন নাম দিয়েছেন নেটফ্লিক্সের সিরিজ ‘টাইগার কিং’ থেকে।
কারণ, সেখানে টাইগার কিংয়ের গায়ে ডোরাকাটা রঙিন দাগ আছে, যেমনটা আছে তার কুমড়ার গায়ে। তিনি বলেন, আমি দেখলাম এই ডোরাকাটা দাগগুলো কমলা এবং সাদা। আমার ভাই বললো, ওহ এতো ২০২০, আমাদের উচিত এটার নাম টাইগার কিং রাখা। ভাইয়ের কথায় আমারও মনে হলো, চমৎকার আইডিয়া। ফলে আমাদের ‘দ্য টাইগার কিং’ নামের কুমড়ো এ বছর ২০২০ সালে উত্তর আমেরিকায় সবচেয়ে বড় ও সবচেয়ে বেশি ওজনের কুমড়ো নির্বাচিত হয়ে রেকর্ড করেছে।
এ ঘটনার পরই ফেসবুক পোস্টে ট্রাভিস জিনজারকে অভিনন্দন জানিয়েছে ‘দ্য সেফওয়ে ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ পাম্পকিন ওয়ে-অফ’। তারা তাকে এ বছরের ‘পাম্পকিন কিং অব হাফ মুন বে’ নামে ভূষিত করেছে।
১৯৭৪ সাল থেকে কুমড়ো উৎপাদনকারীরা প্রতিটি কলম্বাস দিবসে হাফ মুন বে প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে। বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ওজরেন কুমড়োর বিশ্বরেকর্ড হলো ২৬২৪ পাউন্ডের কুমড়ো। জার্মানির লুডিগসবার্গে ‘জায়ান্ট পাম্পকিন ইউরোপ চ্যাম্পিয়নশিপে’ ২০১৬ সালের ৯ই অক্টোর এমন কুমড়ো উপস্থাপন করেছিলেন বেলজিয়ামের ম্যাথিয়াস উইলেমিজনস।
আমি মোহাম্মদ আবুল হোসেন। পেশাগত দিক দিয়ে আমি সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও, এর বাইরে আমি ও-এ লেভেল ম্যাথ টিউটর। উভয় মাধ্যমে, বিশেষে করে টিচিংয়ে আমার আগ্রহ বেশি। যুক্ত হয়েছি প্রযুক্তি বিষয়ক এই ব্লগ নিয়ে। আশা করি সাপোর্ট পাবো। ধন্যবাদ














No comments:
Post a Comment