একেই বলে কপাল!

মিশিগানের এক ব্যক্তি তার ভুল থেকে কিনেছিলেন দুটি জ্যাকপট লটারির টিকেট। প্রতিটি ১০ লাখ ডলার পুরস্কারের টিকেট। কিন্তু সেই ভুলই তাকে এনে দিয়েছে ২০ লাখ ডলারের পুরস্কার। এমন সৌভাগ্যবান মার্কিন নাগরিকের নাম সমির মাজাহেম। ডিয়ারবর্ন হাইটসে বসবাসকারী এই ব্যক্তির বয়স ৫৬ বছর। তিনি মিশিগান লটারি বিষয়ক কর্মকর্তাদের বলেছেন, দুর্ঘটনাক্রমে তিনি ৯ই জুন অনলাইনে কিনেছিলেন একই রকম দুটি মেগা মিলিয়ন পুরস্কারের লটারি। এতে পারিবারিক জন্মদিনকে টিকেটের নম্বর হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। তবে সেই নম্বরটি সেফ করে রাখতে ভুলে যান তিনি। ফলে আবারও একই প্রক্রিয়ায় আরেকটি টিকেট কেনে। দ্বিতীয়বার টিকেট কিনতে গিয়ে কোনো সমস্যা হয়নি তার। ফলে তার দুটি টিকেটই কার্যকর থেকে যায়। ফলে দুটি টিকেটেই তিনি জিতে নিয়েছেন ২০ লাখ ডলারের পুরস্কার। সমির মাজাহেম বলেছেন, সম্প্রতি ওই অ্যাপে আমি যেসব টিকেট কিনেছিলাম তা চেক করতে বসি। বিস্ময়ে চোখ বড় হয়ে যায়। দেখতে পাই প্রতিটি টিকেটে ১০ লাখ ডলার করে মোট ২০ লাখ ডলার পুরস্কার পেয়েছি।
Share:

ছবির কারসাজি

বাস্তবে পাওয়া যায় মিষ্টি কুমড়া। এই মিষ্টি কুমড়ার গড়ন অদ্ভুত। এটাকে ব্যবহার করে কিছু মানুষ ছবি তুলেছেন। মজা করে তোলা সেইসব ছবি পোস্ট করেছেন তারা ইন্সটাগ্রামে। এখানে তার কয়েকটি ছবি ইন্টারনেট থেকে নিয়ে প্রকাশ করা হলো। দেখুন কুমড়া দিয়ে কেমন উপস্থাপনা- উল্লেখ্য, এখানে কেউ এসব ছবি দেখে বিরক্ত হবেন না। এগুলো একান্তই মজা করার জন্য-
Share:

মনোলোভা এক ছোট্ট দ্বীপ

চারদিকে থই থই নীল পানি। বাতাসের সঙ্গে খেলা করছে তারা। সঙ্গে যোগ হয়েছে কিছু সামুদ্রিক পাখি। নীল পানির ঝাঁপটা এসে পা ধুয়ে দিচ্ছে হামনেস্কারের উপকূলে ছোট্ট এক বিস্ময়কর দ্বীপের। ছোট্ট সেই দ্বীপটি এক সময় প্যাটার নোস্টার লাইট হাউজ বা আলোকবর্তিকা হিসেবে পরিচিত ছিল। এরপর সেখানে গড়ে উঠেছে একটি আবাসিক ভবন। তাতে আছে ৯টি বেডরুম। এতে থাকতে পারেন ১৮ জন অতিথি। আছে একটি রেস্তোরাঁ। একটি বার এবং একটি আউটডোর ক্যাফে। অতিথিরা চাইলেই ঘর থেকে বেরিয়ে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে পারেন। আনন্দে নৌবিহার করতে পারেন। স্কুবা ডাইভ দিতে পারেন। অথবা শখের বসে সেখানে রান্না শিখতে পারেন। আর সমুদ্রের পানি, পানির ঢেউয়ের উদ্দামতা তো আছেই।
তবে ভয়ের ব্যাপার হলো গভীর সমুদ্রে ছোট্ট এই দ্বীপটির আশপাশে, ধারেকাছে কোনো জনবসতি নেই। বহু, বহু দূরে মানুষের বসতি। এই আবাসনটির নাম দেয়া হয়েছে ‘প্যাটার নোস্টার- এ হোম অন দ্য হরাইজন’। প্রথম নামটি দেয়া হয়েছে বিংশ শতাব্দীতে ওই স্থানটি লাইট হাউজ হিসেবে ব্যবহৃত হতো- সেখান থেকে। ওই দ্বীপটির ধারাকাছে কোনো জনবসতি নেই। এর ওপর ভিত্তি করে এর নামের শেষ অংশ নির্বাচন করা হয়েছে।
হামনেস্কার নামের এই ছোট্ট দ্বীপটি সুইডেনের পশ্চিম উপকূলে গোথেনবার্গ থেকে ২২ মাইল দূরে। আমরা এখন সেই দ্বীপের ‘প্যাটার নোস্টার- এ হোম অন দ্য হরাইজন’-এর ভিতর প্রবেশ করবো। তবে বাস্তবে নয়, ডেইলি মেইলের সৌজনে আমরা ছবির মাধ্যমে সেখানে প্রবেশ করবো। দেখবো এর ভিতর, বাইরে কেমন সবকিছু সাজানো। দ্বীপটিই বা কেমন। চলুন ডেইলি মেইলের সঙ্গে আমরাও দেখে আসি দ্বীপটি-
Share:

চোখ ধাঁধানো আর্ট

জাস্ট চোখে ধাঁধা লেগে যাওয়ার মতো অবস্থা। একবার ছবিটার দিকে তাকিয়ে দেখুন! কি দেখতে পেলেন? মনে হচ্ছে না যে, মাথার ভিতর ব্লাক হোলের মতো কোনো গর্তের ছবি এটি? কিন্তু আসলে তা নয়। চোখ ধাঁধানো আর্ট বা চিত্রকর্ম এটি। ট্যাট্ট শিল্পী ম্যাট পেহরসন এমন সুন্দর আর্ট অঙ্কন করেছেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি প্রদর্শন করেছেন, কেমন খাঁটি ও নিখুঁত ট্যাট্টু আঁকতে পারেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের উটাহ’য় অবস্থিত তার জিয়ন ট্যাট্টু কোম্পানি।
সেখানে নতুন চরম মাত্রার প্রজেক্ট শুরু করেছেন তিনি। উদ্ভট আলোক মায়ার এক বর্ণালী এঁকেছেন তিনি এক ক্লায়েন্ট বা কাস্টমারের মাথায়। ওই ব্যক্তি আবার তার বন্ধু। নাম রায়ান। এর জন্য তিনি প্রথমে রায়ানকে হালকা করে টাক করে নেন। তারপর সুচতুর কিছু শেড ব্যবহার করেন। তারপর যা করেছেন তার প্রমাণ এই ছবি। এই ছবিটি তিনি এপ্রিলে পোস্ট করেছিলেন ইন্সটাগ্রামে। সেখানে রয়েছে তার কমপক্ষে ৬৫ হাজার ৮০০ অনুসারী।
Share:

দেখুন যুবতীর কাণ্ড

ইন্সটাগ্রাম মডেল হিসেবে পরিচিত আনাস্তাসিয়া পোকরেশচুক। ৩০ বছর বয়সী যুবতী। এরই মধ্যে সারাবিশ্বে পরিচিত হয়ে উঠেছেন। কারণ, তিনি চান তার চিবুকখানা পৃথিবীর সবার চেয়ে বড় দেখায়। এ জন্য এখন থেকে চার বছর আগে শুরু করেছেন চিবুক বিস্তৃতকরণ। এ জন্য তার এরই মধ্যে খরচ হয়ে গেছে ২০০০ পাউন্ড বা প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার টাকা। এখন তার মুখ অন্য অনেক মানুষের মুখের চেয়ে ভিন্ন। দেখতে অন্যরকম তিনি।
তাতেও তিনি থামবেন না। চিবুক আরো বিস্তৃত করবেন। আনাস্তাসিয়া পোকরেশচুক-এর বাড়ি ইউক্রেনের কিয়েভে। তিনি বলেছেন, এমন মুখাবয়বে তাকে যেমনটা দেখায় নিজেকে তেমন দেখতেই ভালবাসেন তিনি। তার ভাষায়, আপনি হয়তো মনে করবেন আমার চিবুকখানা অনেক বড়। কিন্তু আমি বলি এখনও আমার চিবুক অনেক ছোট্ট। একে আরো বড় করতে হবে।
একই সঙ্গে তিনি ঠোঁট এবং মুখের পার্শ্বদেশ ট্রিটমেন্ট করিয়েছেন। এ জন্য তাকে নাকি খুব বেশি ফ্যাসিয়াল ব্যবহার করতে হয় না। ইন্সটাগ্রামে তার অনুসারীর সংখ্যা ২ লাখ ২০ হাজার। ২০২০ সালের জুলাইয়ে তিনি উপস্থিত হন টেলিভিশন শো ‘দিস মর্নিং’-এ। সেখানে তিনি জানান, তাকে চিকিৎসকরা বারণ করেছেন। তা সত্তে¡ও তিনি চিবুক বড় করা থেকে বিরত থাকবেন না।
Share:

এ কেমন দক্ষতা!

রাকেশ বি এবং প্রভাকর রেড্ডি পি। দু’জনেই ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের। তাদের একজন মার্শাল আর্ট শিল্পী। রাকেশ বি’র চোখ বেঁধে দেয়া হলো। আর প্রভাকর রেড্ডি পি’ মাটিতে শুয়ে পড়লেন।
তার চারপাশে রাখা হলো খোলস ছাড়ানো নারকেল। অন্যদিকে চোখ বাঁধা অবস্থায় রাকেশ বি তার শক্তি ও দক্ষতা প্রদর্শন করলেন। তিনি এক মিনিটের মধ্যে হাতুড়ি দিয়ে অন্য সহযোগীর শরীরের চারপাশে ছড়িয়ে থাকা নারকেলের কমপক্ষে ৫০টি নারকেল ফাটিয়েছেন।
এর মধ্য দিয়ে তিনি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান করে নিয়েছেন। পরে ওই নারকেল অন্ধ্র প্রদেশের নেলোরে স্থানীয় পশুদের দিয়ে খাইয়ে দেয়া হয়। এ ঘটনাটি ঘটে ২০২০ সালের অক্টোবরে।
Share:

কলার ৬ উপকারিতা

কলা। আমাদের দেশে এখানে ওখানে জন্মে ফলটি। এর চাষেও খুব একটা যে যতœ নিতে হয় এমন না। বলতে গেলে গাছ মাটিতে পুঁতে রাখলেই কলাগাছ জন্মে, তাতে কলা ধরে। কিন্তু এই কলা অতীব গুরুত্বপূর্ণ, খাদ্যমানযুক্ত একটি খাবার। সহজে পাওয়া যায় বলে আমরা হয়তো এতে কোনো গুরুত্বই দিই না। চলুন দেখে নেয়া যাক কলায় কি কি আছে। করায় আছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন-বি ৬। এ ছাড়া ভিটামিন সি-এর একটি চমৎকার উৎস হলো কলা। আছে ডায়েটারি ফাইবার ও ম্যাঙ্গানিজ। এর অর্থ কি? এ বিষয়ে টিয়ং বাহরু কমিউনিটি হেলথ সেন্টারের ডায়েটিটিক্স ডিপার্টমেন্ট কি বলছে চলুন শুনে আছি। কলা শুধু ভিটামিন ও ফাইবার পাওয়ার উত্তম একটি উৎস নয়। একই সঙ্গে এটি চর্বিমুক্ত ও কোলেস্টেরলমুক্ত। টিয়ং বাহরু কমিউনিটি হেলথ সেন্টারের সদস্য সিং হেলথ গ্রæপের পুষ্টিবিদ মিসেস পেগি টান বলেছেন-
১. ভিটামিন বি৬ এর সবচেয়ে উত্তম ফলের মধ্যে কলা অন্যতম। কলা থেকে ভিটামিন বি৬ আপনার শরীর সহজে শোষণ করতে পারে। প্রতিদিন আপনার শরীরে যে পরিমাণ ভিটামিন বি৬ প্রয়োজন তার প্রায় চার ভাগের এক ভাগ সরবরাহ দিতে পারে একটি মাঝারি আকারের কলা। ভিটামিন বি৬ আপনার শরীরে লোহিত রক্তকোষ তৈরি করে। বিপাকের মাধ্যমে কার্বোহাইড্রেট এবং চর্বিকে শক্তিতে পরিণত করে। এমাইনো এসিডকে বিপাক করে। আপনার লিভার এবং কিডনি থেকে অপ্রয়োজনীয় রাসায়নিক পদার্থ বের করে দেয়। আপনার ¯œায়ুতন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। অন্তঃসত্ত¡া নারীদের জন্য ভিটামিন বি৬ খুবই উপকারী। গর্ভস্থ শিশুর বেড়ে উঠায় এটা সহায়তা করে।
২. হয়তো মনে করতে পারেন ভিটামিন সি-এর ভাল উৎস নয় কলা। কিন্তু একটি মাঝারি আকারের কলা আপনাকে প্রতিদিন আপনার শরীরের জন্য যতটুকু ভিটামিন সি প্রয়োজন তার শতকরা প্রায় ১০ ভাগ সরবরাহ দেবে। ভিটামিন সি-এর কাজ- ভিটামিন সি আপনার আমার শরীরের কোষ ও টিস্যু ধ্বংস হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। আমাদের শরীরে ভালভাবে আয়রন বা লোহা শোষণে সাহায্য করে। আমাদের শরীরে ক্যালোজেন নামে একটি প্রোটিন উৎপাদনে সহায়তা করে। এই প্রোটিনটি আমাদের ত্বক, হাড় ও শরীরকে একসঙ্গে ধরে রাখে। ভিটামিন সি সেরোটোনিন নামে একটি হরমোন সৃষ্টি করে আমাদের ব্রেনকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এই হরমোনটি আমাদের ঘুমচক্র, মুড এবং হতাশা বা বেদনার অনুভূতিতে প্রভাব রাখে।
৩. আমাদের শরীরে প্রতিদিন যে পরিমাণ ম্যাঙ্গানিজের প্রয়োজন হয় তার শতকরা প্রায় ১৩ ভাগ সরবরাহ দিতে পারে একটি মাঝারি আকারের কলা। কোলেজেন নামের প্রোটিন উৎপাদনে আমাদের শরীরকে সাহায্য করে ম্যাঙ্গানিজ। এর মাধ্যমে আমাদের ত্বক ও অন্য কোষকে ক্ষতির মুখ থেকে রক্ষা করে।
৪. কলার ভিতর প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম পাওয়া যায়। এই পটাশিয়াম আমাদের হৃদযন্ত্র এবং রক্তচাপের জন্য খুবই উপকারী। একটি মাঝারি আকারের কলা আমাদেরকে প্রায় ৩২০ থেকে ৪০০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম দিয়ে থাকে। যা, আমাদের প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় পটাশিয়ামের শতকরা প্রায় ১০ ভাগ সরবরাহ করে। উপরন্তু কলায় থাকে অল্প পরিমাণ সোডিয়াম। কম মাত্রার সোডিয়াম এবং উচ্চ মাত্রার পটাশিয়াম মিলে সম্মিলিতভাবে আমাদের উচ্চ রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।
৫. কলা আমাদের হজম প্রক্রিয়াকে সহায়তা করে। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যাকে কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করতে পারে কলা। প্রতিদিন আমাদের যে পরিমাণ ফাইবার প্রয়োজন তার শতকরা প্রায় ১০-১২ ভাগ সরবরাহ করে একটি মাঝারি মানের কলা। সিঙ্গাপুরের হেলথ প্রোমোশন বোর্ড প্রতিদিন নারীদের জন্য ২০ গ্রাম এবং পুরুষদের জন্য ২৬ গ্রাম ডায়েটারি ফাইবার গ্রহণের সুপারিশ করেছে। শোষণযোগ্য এবং শোষণের অযোগ্য ফাইবার- উভয়েই আমাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভ’মিকা রাখে। শোষণযোগ্য ফাইবার আমাদের রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। একই সঙ্গে চর্বিযুক্ত উপাদান যেমন কোলেস্টেরল থেকে মুক্ত থাকতে সহায়তা করে। শোষণের অযোগ্য ফাইবার ওজন বাড়ায়। পায়খানা নরম করে। আমাদের পেটে খাবারের অবশিষ্টাংশ চলাচল নিয়মিত করে তোলে। ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থেকে পরিপাকতন্ত্রকে সুরক্ষা দেয় ও সুস্থ রাখে। এর ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। পাকস্থলির আলসার ভাল হয়। হৃদরোগ থেকে স্বস্তি দেয়।
৬. কলা আমাদের শক্তি দেয়। চর্বি ও কোলেস্টেরল কমায়। কলায় তিনটি প্রাকৃতিক সুগার বা চিনি আছে। সেগুলো হলো- ক. সুক্রোজ, খ. ফ্রুকটোজ এবং গ. গøুকোজ। এরা আমাদেরকে চর্বি ও কোলেস্টেরলমুক্ত শক্তি দেয়। বিশেষ করে শিশু ও যারা অ্যাথঔেঁ তাদের জন্য সকালের নাস্তায় কলা একটি আদর্শ খাবার। মধ্যাহ্নে খাবার পর অথবা খেলাধুলা শেষে একটি কলা খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী।
Share:

কুমড়ো চাষীকে ১৪ লাখ টাকা পুরস্কার!

দ্য টাইগার কিং। নামটার বাংলা করলে দাঁড়ায়- বাঘের রাজা। মনে হতে পারে এই শব্দ কয়টি কোনো বাঘ প্রসঙ্গে বলা। আসলে তা নয়। এটি কোনো পশুর বেলায়ও ব্যবহার করা হয়নি। এই নাম দেয়া হয়েছে একটি কুমড়োকে। যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটায় জন্মেছে একটি কুমড়ো। তা এত্তবড় যে, দেখে যেকেউ ভয় পেয়ে যেতে পারেন। কুমড়োটির ওজন ২৩৫০ পাউন্ড বা প্রায় ১০৬৬ কেজি। একবার কল্পনা করুন কতটা বড় ওই কুমড়ো।
এক প্রতিযোগিতায় এই কুমড়ো হাজির করেছিলেন মিনেসোটার কৃষক ট্রাভিস জিনজার। ক্যালিফোর্নিয়ার উত্তরাঞ্চলে বড় বড় কুমড়োর এক প্রদর্শনী হয়। সেখানে যে যত বড় সম্ভব কুমড়ো নিয়ে হাজির। তাতে যার কুমড়ো সবচেয়ে বড় হয়, তিনি হন বিজয়ী। ওই প্রতিযোগিতার নাম দেয়া হয়েছে ‘সুপার বৌল অব পাম্পকিনস’। সিএনএনকে উদ্ধৃত করে ১৫ই অক্টোবর এ খবর দিয়েছে ইউপিআই।
এতে বলা হয়, ওই প্রতিযোগিতায় নিজের ‘দ্য টাইগার কিং’ উপস্থাপন করে প্রথম পুরস্কার বাগিয়ে নেন ট্রাভিস জিনজার। বিনিময়ে পুরস্কার পান ১৬ হাজার ৪৫০ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ১৩ লাখ ৯৪ হাজার ৬২৬ টাকা বা প্রায় ১৪ লাখ টাকা। প্রতিযোগিতায় যে কুমড়ো বিজয়ী হয় তাকে প্রতি পাউন্ড ওজনের বিপরীতে ৭ ডলার করে পুরস্কার দেয়া হয়। ট্রাভিস জিনজার বলেছেন, তিনি তার কুমড়ার এমন নাম দিয়েছেন নেটফ্লিক্সের সিরিজ ‘টাইগার কিং’ থেকে।
কারণ, সেখানে টাইগার কিংয়ের গায়ে ডোরাকাটা রঙিন দাগ আছে, যেমনটা আছে তার কুমড়ার গায়ে। তিনি বলেন, আমি দেখলাম এই ডোরাকাটা দাগগুলো কমলা এবং সাদা। আমার ভাই বললো, ওহ এতো ২০২০, আমাদের উচিত এটার নাম টাইগার কিং রাখা। ভাইয়ের কথায় আমারও মনে হলো, চমৎকার আইডিয়া। ফলে আমাদের ‘দ্য টাইগার কিং’ নামের কুমড়ো এ বছর ২০২০ সালে উত্তর আমেরিকায় সবচেয়ে বড় ও সবচেয়ে বেশি ওজনের কুমড়ো নির্বাচিত হয়ে রেকর্ড করেছে।
এ ঘটনার পরই ফেসবুক পোস্টে ট্রাভিস জিনজারকে অভিনন্দন জানিয়েছে ‘দ্য সেফওয়ে ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ পাম্পকিন ওয়ে-অফ’। তারা তাকে এ বছরের ‘পাম্পকিন কিং অব হাফ মুন বে’ নামে ভূষিত করেছে।
১৯৭৪ সাল থেকে কুমড়ো উৎপাদনকারীরা প্রতিটি কলম্বাস দিবসে হাফ মুন বে প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে। বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ওজরেন কুমড়োর বিশ্বরেকর্ড হলো ২৬২৪ পাউন্ডের কুমড়ো। জার্মানির লুডিগসবার্গে ‘জায়ান্ট পাম্পকিন ইউরোপ চ্যাম্পিয়নশিপে’ ২০১৬ সালের ৯ই অক্টোর এমন কুমড়ো উপস্থাপন করেছিলেন বেলজিয়ামের ম্যাথিয়াস উইলেমিজনস।
Share:

আল্লাহ দিলে ঠেকায় কে!

কথায় বলে আল্লাহ যাকে দেন উজার করে দেন। তেমনি ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনার এক ব্যক্তির ভাগ্যে। তিনি একজন ট্রাক চালক। যাচ্ছিলেন দাঁতের ডাক্তারের কাছে। পথে একটি দোকান দেখে কি মনে হলো, সেখানে ঢুঁ মারলেন। তাতেই বদলে গেল তার ভাগ্য। তিনি মাত্র ২০ ডলার দিয়ে একটি স্ক্র্যাচ-অফ টিকেট কিনলেন। তা থেকেই তিনি ৭ লাখ ৫০ হাজার ডলারের জ্যাকপট লটারি জিতে নিলেন। প্রথমে তো নিজে বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না নিজেকে। নর্থ ক্যারোলাইনা এডুকেশন লটারি কর্মকর্তাদের নর্থ মিরটল বিচের ল্যারি হেলস বলেছেন, তিনি নর্থ ক্যারোলাইনায় দাঁতের ডাক্তারের কাছে যাচ্ছিলেন। পথে হ্যান-ডি হুগো স্টোরে কোন মনে ঢুকে পড়েন। কিনে নেন ২০ ডলারের একটি টিকেট। সঙ্গে কেনেন ১০ ডলারের একটি জাম্বো বাকস টিকেট। ল্যারি হেলস বলেছেন, টিকেট সঙ্গে নিয়ে তিনি নিজের ট্রাকে রাখেন। তারপর ছুটতে থাকেন ডাক্তারের কাছে। ল্যারি হেলস বলেন, এক পর্যায়ে আমি সঙ্গে থাকা কিছু অর্থ ব্যাংকে জমা দিতে যাই। এ সময় ওই স্ক্র্যাচ-অফ লটারি ঘষে দেখি। ঘষেই তো আমার চোখ ছানাবড়া। দেখি আমি ৭ লাখ ৫০ হাজার ডলারের পুরষ্কার জিতেছি। আমার বিশ্বাসই হয়নি। ছুটে গেলাম বাসায় আমার প্রিয়তমা স্ত্রীর কাছে। তাকে টিকেটটা দিয়ে বললাম- দেখতো আমি ঠিক পড়ছি নাকি। আমি কি বিজয়ী হয়েছি? আমার স্ত্রী নিশ্চিত করলেন। আনন্দে যেন তখন আমার ঘর ফেটে যাচ্ছিল। কি করবো বুঝতে পারছিলাম না। মুহূর্তের মধ্যে আমার কাছে সারা পৃথিবী রঙিন হয়ে গেল। তারপর এই পুরস্কার নিতে আসা। হেলস এবং তার স্ত্রী বলেছেন, তারা এই অর্থ দিয়ে প্রথমেই বাড়িটা মেরামত করাবেন। তারপর কিনবেন একটি নতুন গাড়ি। হতে পারে তা একটি ট্রাক। 


Share:

ছবি যখন কথা বলে!

‘দ্য অ্যাফেয়ার’ ছবির অভিনেতা ডমিনিক ওয়েস্ট (৫০)। তিনি বিবাহিত। স্ত্রীর নাম আইরিশ ডিজাইনার, অ্যারিস্টোক্র্যাট ক্যাথেরিন ফিটজেরাল্ড। আছে চার সন্তান- ডোরা (১৩),সিনান (১২) ফ্রাঁসিস (১১) এবং ক্রিস্টাবেল (৭)। কিন্তু ইতালির রোমে তাকে এক যুবতীর প্রেমে মজে থাকতে দেখা গেছে। ওই যুবতী তার চেয়ে ১৯ বছরের ছোট। নাম লিলি জেমস। তাদেরকে ইতালির রোমে দেখা গেছে রোমান্টিকভাবে ঘোরাফেরা করতে। চুমুতে আটকে থাকতে দেখা গেছে তাদের ঠোঁট। স্ত্রীর সঙ্গে তার বিচ্ছেদ হয়নি। তা সত্তে¡ও বিবাহ বহির্ভূত এমন সম্পর্কে জড়িয়ে তিনি চুটিয়ে প্রেম পর্ব উদযাপন করছেন। 
ডমিনিক ওয়েস্ট বেশি পরিচিতি পেয়েছেন ‘নোয়া সোলোওয়ে’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে। এ ছাড়া অভিনয় করেছেন দ্য অ্যাফেয়ার ছবিতে। সেখানে তাকে দেখা যায় তার ক্যারেক্টার এবং অ্যালিসন বেইলি বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে যান। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন যে, ৩১ বছর বয়সী লিলি তার স্বামী ম্যাট স্মিথের (৩৭) সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটিয়েছেন চিরদিনের জন্য। 

তার আগে তিনি ওই সম্পর্ক ধরে রাখার চেষ্টা করেছিলেন। তবে এর আগে জুলাই মাসে লিলিকে দেখা গিয়েছিল লন্ডনে ক্যাপ্টেন আমেরিকা তারকা ক্রিস ইভান্সের (৩৯) সঙ্গে। কিন্তু রোমে ১১ই অক্টোবর রোববার রোমান্সে মেতে ওঠেন ডমিনিক ও লিলি জেমস। তাদের এমন কান্ডকীর্তি দেখে প্রত্যক্ষদর্শীদের তো চোখ ছাড়াবড়া। 
এখানে উল্লেখ্য, লিলিও একজন অভিনেত্রী। তিনি ‘মামা মিয়া!’ ছবিতে অভিনয় করেছেন। মিডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, তারা রোমে হোটেল ডি লা ভিলে দুই রাত কাটিয়েছেন। এ সময় পুরো শহরে ঘুরেছেন। ইলেকট্রিক স্কুটারে করে তারা স্প্যানিশ স্টেপস, পিজা দি পিয়েত্রার চারদিকে ঘুরেছেন অন্তরঙ্গভাবে। 


















Share:

Search This Blog

Powered by Blogger.
  • ()

Recent Posts

Pages