মনোলোভা এক ছোট্ট দ্বীপ

চারদিকে থই থই নীল পানি। বাতাসের সঙ্গে খেলা করছে তারা। সঙ্গে যোগ হয়েছে কিছু সামুদ্রিক পাখি। নীল পানির ঝাঁপটা এসে পা ধুয়ে দিচ্ছে হামনেস্কারের উপকূলে ছোট্ট এক বিস্ময়কর দ্বীপের। ছোট্ট সেই দ্বীপটি এক সময় প্যাটার নোস্টার লাইট হাউজ বা আলোকবর্তিকা হিসেবে পরিচিত ছিল। এরপর সেখানে গড়ে উঠেছে একটি আবাসিক ভবন। তাতে আছে ৯টি বেডরুম। এতে থাকতে পারেন ১৮ জন অতিথি। আছে একটি রেস্তোরাঁ। একটি বার এবং একটি আউটডোর ক্যাফে। অতিথিরা চাইলেই ঘর থেকে বেরিয়ে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে পারেন। আনন্দে নৌবিহার করতে পারেন। স্কুবা ডাইভ দিতে পারেন। অথবা শখের বসে সেখানে রান্না শিখতে পারেন। আর সমুদ্রের পানি, পানির ঢেউয়ের উদ্দামতা তো আছেই।
তবে ভয়ের ব্যাপার হলো গভীর সমুদ্রে ছোট্ট এই দ্বীপটির আশপাশে, ধারেকাছে কোনো জনবসতি নেই। বহু, বহু দূরে মানুষের বসতি। এই আবাসনটির নাম দেয়া হয়েছে ‘প্যাটার নোস্টার- এ হোম অন দ্য হরাইজন’। প্রথম নামটি দেয়া হয়েছে বিংশ শতাব্দীতে ওই স্থানটি লাইট হাউজ হিসেবে ব্যবহৃত হতো- সেখান থেকে। ওই দ্বীপটির ধারাকাছে কোনো জনবসতি নেই। এর ওপর ভিত্তি করে এর নামের শেষ অংশ নির্বাচন করা হয়েছে।
হামনেস্কার নামের এই ছোট্ট দ্বীপটি সুইডেনের পশ্চিম উপকূলে গোথেনবার্গ থেকে ২২ মাইল দূরে। আমরা এখন সেই দ্বীপের ‘প্যাটার নোস্টার- এ হোম অন দ্য হরাইজন’-এর ভিতর প্রবেশ করবো। তবে বাস্তবে নয়, ডেইলি মেইলের সৌজনে আমরা ছবির মাধ্যমে সেখানে প্রবেশ করবো। দেখবো এর ভিতর, বাইরে কেমন সবকিছু সাজানো। দ্বীপটিই বা কেমন। চলুন ডেইলি মেইলের সঙ্গে আমরাও দেখে আসি দ্বীপটি-
Share:

No comments:

Post a Comment

Search This Blog

Powered by Blogger.
  • ()

Recent Posts

Pages