বিমানবন্দরে অদ্ভুতুড়ে!

বিমানবন্দরে কতশত নিয়ম। চেকআপের লাইন। ফ্লাইট বুক করা। আবহাওয়ার কারণে ফ্লাইট বিলম্ব। এসব কারণে মানুষের কত যে ভোগান্তি তার শেষ নেই। তবে এই বিলম্বে কেউ কেউ বিনোদন বা জীবনে একটু মজা আনেন। কিভাবে? চলুন সচিত্র দেখা যাক। ফ্রাইডে নাইট লাইটস-এর অভিনেত্রী মিনকা কেলি কোন এক সকালে ছুটি কাটাতে লস অ্যানজেলেস ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট থেকে বিমানে উঠার জন্য অপেক্ষায় ছিলেন। দেখুন তার অপেক্ষা।
বিমানবন্দরে আপনাকে চেকআপের মুখে পড়তেই হবে। দায়িত্বরতরা আপনার পাসপোর্ট চাইবেন। ফোন নম্বর জানতে চাইতে পারেন। কিন্তু এই যুবতীর কাÐ দেখেন। তিনি যে অঙ্গভঙ্গি করেছেন চেকআপে তাতে কে কি চেক করবেন, তার দিকে হা করে তাকিয়ে ছিলেন নিশ্চয় অন্যরাও।
চালিতা সুয়ানসানে হলেন মিস ইউনিভার্স থাইল্যান্ড। তিনি যখন সফর করেন, তখন তার সঙ্গে থাকে বিপুল সংখ্যক লাগেজ। ম্যানিলায় যখন নিনোয় একুইনো ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে গিয়েছিলেন তিনি, তখন তার সঙ্গে ছিল ১৭টি লাগেজ। এসব কারণে তাকে কেউ কেউ মিস ইউনিভার্স অব লাগেজ বলে থাকেন।
এয়ারপোর্টে এসে দেখলেন ফ্লাইট বিলম্ব কয়েক ঘন্টা। হোটেলও বুকড। কোথাও বিশ্রাম নেয়ার জায়গা নেই। অগত্যা আর কি করবেন! ঘুমিয়ে পড়–ন এই যুবতীর মতো। চেয়ারের হাতলের ভিতর দিয়ে বডি ঢুকিয়ে দিয়ে এভাবে সটান শুয়ে পড়ুন।
বিমান বন্দর দিয়ে ব্যাপক আকারে মানব পাচার হয়। এর বিরুদ্ধে সোচ্চার অনেকে। তবে এই যুবতী এর প্রতিবাদে দেখুন না একটি স্বচ্ছ সুইটকেসের ভিতর কিভাবে নিজেকে ঢুকিয়ে দিয়েছেন। এর মাধ্যমে নাকি তিনি সচেতনতা সৃষ্টি করছেন।
এই বিমানটির চালক বা পাইলট মনে হয় প্রথম দিন বিমান চালাচ্ছিলেন। রাস্তায় প্রথম দিন গাড়ি চালাতে গেলে যেমন হয়, তিনি তেমন কান্ড ঘটিয়ে বসেছেন। একটি বিমানের ভিতর তার বিমান ঢুকিয়ে দিয়েছেন। হয়তো তিনি টেরও পান নি।
রেসলার ডোয়ানে জনসনকে চেনেন না এমন মানুষ পাওয়া কঠিন। তিনি রক নামেই বেশি পরিচিত। তিনি নিয়মিত ব্যায়াম করেন। তাই সব সময় তাকে সঙ্গে রাখতে হয় ব্যায়ামের জিনিসপত্র। এ জন্য যেখানেই যান, বিশাল লাগেজে করে তা বহন করতে হয়। এ জন্য তাকে বাড়তি ফি গুনতে হয় বিমানবন্দরে।
Share:

No comments:

Post a Comment

Search This Blog

Powered by Blogger.
  • ()

Recent Posts

Pages