ব্রিজিত বার্দোর বাড়িতে কি আছে?

আজ আপনাদেরকে নিয়ে যাবো ব্রিজিত বার্দো’র বাড়ির ভিতর। যারা তাকে না চেনেন, তাদেরকে বলছি, তিনি ১৯৫০ ও ১৯৬০ এর দশকের ফরাসি চলচ্চিত্রের ভীষণ বিখ্যাত একজন অভিনেত্রী। তার যৌবনের উচ্ছলতা দিয়ে সারা বিশ্বকে মাত করে দিয়েছিলেন। ছিলেন রগরগে মডেল, গায়িকা। তার নাম উচ্চারণ করলেই সবার সামনে ভেসে উঠতো একজন আবেদনময়ী অভিনেত্রীর ছবি। তিনি বর্তমানে কেমন আছেন? চলুন দেখে আসি তাকে। তিনি সেইন্ট ট্রোপের এক বাড়িতেই বসবাস করছেন গত ৬২ বছর।  বর্তমানে তার বয়স ৮৫ বছর। বাইরের জগত থেকে বিচ্ছিন্ন চলচ্চিত্রে ঝড়ো এক ইনিংস খেলে তিনি ৬২ বছর আগে সিদ্ধান্ত নেন বসবাস করবেন ফ্রান্সের উপকূলীয় শহর লা মাদ্রাগু’তে। সেখানে তিনি যে বাড়িতে বসবাস করছেন তার সামনেই ওয়াটারফ্রন্ট। কিন্তু বাইরের দুনিয়া থেকে তার বাড়িটি উঁচু দেয়াল, বেড়া তুলে আলাদা করে ফেলা হয়েছে। ভিতরে আছে নানা রকম বিশালাকার গাছ। এখানেই তিনি তার শান্তি আর ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে খুঁজে নিয়েছেন। বে অব ক্যানোউবিয়ার থেকে দৃষ্টিগোচর হয় না তার বাড়ি। তিনি একবার ভ্যানিটি ফেয়ারকে দেয়া সাক্ষাতকারে বলেছিলেন, এই বাড়িটি একেবারে শান্ত। এখানে আমি মেরিলিন মনরো এবং রোমি শিন্ডারের মতো জীবন অতিবাহিত করতে চাই। 
আমি শুধু আমার ভিতর থাকতে চেয়েছি
যদিও তিনি ১৯৫০ এর দশকের একজন বিখ্যাত চলচ্চিত্র তারকা, তবু ওই সময়টাকে তার জীবনের ইতিবাচক হিসেবে দেখেন না সব সময়। ১৯৭৩ সালে যখন তার খ্যাতি সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে, তখন তিনি অভিনয় বন্ধ করে দেন। সিনেমা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন। তারপরই তার ভাষায়, খুঁজে নেন আসল জীবণ। তার ভাষায় ‘এন্ড গড ক্রিয়েটেড ওম্যান’ ছবিতে অভিনয়ের পরে এবং আগে মনে হয়েছিল, আমি যা হতে চাই তা তো কখনোই হতে পারি নি। আমার সেই চাওয়া ছিল সরাসরি এবং সততার। উল্লেখ্য, তিনি নির্লজ্জ যৌনতা এবং পিন-আপ গার্ল হিসেবে সারা বিশ্বে নিন্দিত হয়েছেন। এ সম্পর্কে ব্রিজিত বার্দো বলেন, এসবে মোটেও ক্ষুব্ধ হইনি আমি। আমি তো এমনটা হতে চাই নি। আমি শুধু আমার হতে চেয়েছি।

প্রকৃতির সঙ্গে বসবাস

ব্রিজিত বার্দো যেখানে বসবাস করছেন জীবনের এতগুলো দিন, তা সাজানো হয়েছে তার ইচ্ছে অনুযায়ী।  এর ভিতর ছড়ানো আছে প্রশান্তি। তিনি স্বামী বার্নার্ড ডি’ওরমালেকে নিয়ে বসবাস করছেন সেখানে। তাদের দু’জনের কেউই খুব বেশি মানুষের সঙ্গে সাক্ষাত দেন না। এখন তারা নিজেদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় রাখেন। চারদিকে সাজানো গাছপালা, পশুপাখি, নিরিবিলি পরিবেশের মধ্যে বসবাস করছেন প্রকৃতির সঙ্গে। 

বাড়ির ভিতর কেমন

ব্রিজিত বার্দোর বাড়ির ভিতর দেখতে উষ্ণ এক ইন্টেরিয়রে সাজানো। ১৯৭০ এর দশকের প্রভাব লক্ষণীয়। একবিংশ শতাব্দীর প্রযুক্তি সাবেক এই অভিনেত্রীর কাছে এক আবর্জনা। কলম আর কাগজ ব্যবহার করে তিনি এখনও লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করেন। তিনি যে ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছেন, তা কাজ করে পশুর অধিকার নিয়ে। অনেক বছর ধরে তিনি পশুর কল্যাণের প্রতি প্রতিশ্রæতিবদ্ধ। এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেছেন, পশু রক্ষার চেয়ে গাড়ি রক্ষার জন্য অধিক আইন আছে। এটা এক অদ্ভুত ব্যাপার। এসব পশুর জন্যই আমি কখনো নিজেকে বুড়ো অথবা অনাবশ্যক মনে করি না। তার এসব কথার প্রতিফলন ঘটে তার বাড়ির ভিতরেই। পুরো বাড়িতেই আছে ছাগল, ঘোড়া, ভেড়া এমন কি শূকর। 

অসুস্থ ব্রিজিত বার্দো

সেইন্ট ট্রোপেজে অনেক বছর ধরে আইসোলেশনে ব্রিজিত বার্দো। তবে আর্থাইটিস সহ নানা রকম স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন তিনি। এ জন্য তাকে একটি লাঠিতে ভর দিয়ে হাঁটতে হয়। অসুস্থ হলে কি! তিনি জীবনকে উপভোগ করেন। এখনও প্রতিদিন এক থেকে দুই গøাস শ্যাম্পেন পান করেন। 

আরও ছবি





Share:

আঙ্গুলই বলে দেবে আপনি কেমন!

আপনার আঙ্গুলই বলে দেবে আপনার ব্যক্তিত্ব কেমন, কেমন মানুষ আপনি। আপনি কি বেশি খরুচে মানুষ, নাকি কিপ্টা। সবটা বলে দেবে আপনার হাতের আঙ্গুল। এমনটা দেখবেন গ্রামের মানুষ খুব বেশি বিশ্বাস করেন। কারো হাত দেখে, হাতের আঙ্গুল কোনটার চেয়ে কোনটা ছোট বা বড়, তার ওপর ভিত্তি করে কেউ বলে দিচ্ছেন- কেমন মানুষ তিনি। তার সামনে বিপদ আছে কিনা। অথবা তিনি ধনী হবেন ভবিষ্যতে নাকি গরিব হবেন। বহু মানুষ কিন্তু এসব ভবিষ্যদ্বাণী বিশ্বাসও করেন। কিভাবে তারা এসব বলে দেন? হ্যাঁ, আসল রহস্যটা লুকিয়ে আছে আপনার, আমার অনামিকা এবং তর্জনিতে। এই দুটি আঙ্গুল আপনাকে বলে দেবে আপনার সম্পর্কে অনেক কথা। এই আঙ্গুল দুটি বিশেষত প্রয়োগ করা হয় পুরুষের ক্ষেত্রে। এই দুটি আঙ্গুলের দৈর্ঘ্য ইঙ্গিত দেয়, পুরুষের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কি পরিমাণ। টেস্টোস্টেরন হলো পুরুষের সেক্স হরমোন। এটি যার যথাযথভাবে থাকে তিনি খুব আবেদনময় হন। এই আঙ্গুল দুটি তিন রকমের হয়।

ধরন-১: যদি আপনার অনামিক তর্জনির চেয়ে বড় হয় যদি আপনার অনামিকা তর্জনির চেয়ে বড় হয় তাহলে আপনি একজন হ্যান্ডসাম পুরুষ। এসব পুরুষ উষ্ণ হন এবং তারা উৎফুল্ল থাকেন। সবার সঙ্গে মিশতে পারেন। তবে এ ধারার পুরুষ সামান্য আগ্রাসী হন। সহজে ঝুঁকি নিতে পছন্দ করেন। তর্জনির চেয়ে অনামিকা বড় হলে সেই ব্যক্তি তার সহকর্মীদের চেয়ে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বেশি অর্থের মালিক হন।
ধরন-২: অনামিকা যদি তর্জনির চেয়ে ছোট হয় এই ধরনের পুরুষ খুব আত্মবিশ্বাসী হন। খুব কম আত্মকেন্দ্রিক হন তারা। মাঝে মাষে তারা একা থাকলেও বিরক্তিবোধ করেন না। তাদেরকে কেউ বিরক্ত করুক এমনটাও পছন্দ করেন না। যখন তাদের জীবনে ভালবাসা আসে, তখন তাদের ভিতর কম আস্থা কাজ করে। কারণ, তারা দ্রæত সিদ্ধান্ত নিতে এবং ব্যবস্থা নিতে দ্বিধাবোধ করেন। 

ধরন-৩: যদি অনামিক এবং তর্জনির দৈঘ্য সমান হয় এই ধরনের মানুষ খুব ভাল মধ্যস্থতাকারী হন। তারা খুব অনুগত হন। ভালবাসাময় হন। এই ধরনের মানুষ সবকিছুতে ভারসাম্য রেখে চলতে পারেন। তারা হন ঠান্ডা মাথার। তাদের দৃষ্টিতে সবকিছু মসৃণ গতিতে চলে। মিলিয়ে নিন এর মধ্যে কোন ধরনের পুরুষ আপনি!
Share:

বিমানবন্দরে অদ্ভুতুড়ে!

বিমানবন্দরে কতশত নিয়ম। চেকআপের লাইন। ফ্লাইট বুক করা। আবহাওয়ার কারণে ফ্লাইট বিলম্ব। এসব কারণে মানুষের কত যে ভোগান্তি তার শেষ নেই। তবে এই বিলম্বে কেউ কেউ বিনোদন বা জীবনে একটু মজা আনেন। কিভাবে? চলুন সচিত্র দেখা যাক। ফ্রাইডে নাইট লাইটস-এর অভিনেত্রী মিনকা কেলি কোন এক সকালে ছুটি কাটাতে লস অ্যানজেলেস ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট থেকে বিমানে উঠার জন্য অপেক্ষায় ছিলেন। দেখুন তার অপেক্ষা।
বিমানবন্দরে আপনাকে চেকআপের মুখে পড়তেই হবে। দায়িত্বরতরা আপনার পাসপোর্ট চাইবেন। ফোন নম্বর জানতে চাইতে পারেন। কিন্তু এই যুবতীর কাÐ দেখেন। তিনি যে অঙ্গভঙ্গি করেছেন চেকআপে তাতে কে কি চেক করবেন, তার দিকে হা করে তাকিয়ে ছিলেন নিশ্চয় অন্যরাও।
চালিতা সুয়ানসানে হলেন মিস ইউনিভার্স থাইল্যান্ড। তিনি যখন সফর করেন, তখন তার সঙ্গে থাকে বিপুল সংখ্যক লাগেজ। ম্যানিলায় যখন নিনোয় একুইনো ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে গিয়েছিলেন তিনি, তখন তার সঙ্গে ছিল ১৭টি লাগেজ। এসব কারণে তাকে কেউ কেউ মিস ইউনিভার্স অব লাগেজ বলে থাকেন।
এয়ারপোর্টে এসে দেখলেন ফ্লাইট বিলম্ব কয়েক ঘন্টা। হোটেলও বুকড। কোথাও বিশ্রাম নেয়ার জায়গা নেই। অগত্যা আর কি করবেন! ঘুমিয়ে পড়–ন এই যুবতীর মতো। চেয়ারের হাতলের ভিতর দিয়ে বডি ঢুকিয়ে দিয়ে এভাবে সটান শুয়ে পড়ুন।
বিমান বন্দর দিয়ে ব্যাপক আকারে মানব পাচার হয়। এর বিরুদ্ধে সোচ্চার অনেকে। তবে এই যুবতী এর প্রতিবাদে দেখুন না একটি স্বচ্ছ সুইটকেসের ভিতর কিভাবে নিজেকে ঢুকিয়ে দিয়েছেন। এর মাধ্যমে নাকি তিনি সচেতনতা সৃষ্টি করছেন।
এই বিমানটির চালক বা পাইলট মনে হয় প্রথম দিন বিমান চালাচ্ছিলেন। রাস্তায় প্রথম দিন গাড়ি চালাতে গেলে যেমন হয়, তিনি তেমন কান্ড ঘটিয়ে বসেছেন। একটি বিমানের ভিতর তার বিমান ঢুকিয়ে দিয়েছেন। হয়তো তিনি টেরও পান নি।
রেসলার ডোয়ানে জনসনকে চেনেন না এমন মানুষ পাওয়া কঠিন। তিনি রক নামেই বেশি পরিচিত। তিনি নিয়মিত ব্যায়াম করেন। তাই সব সময় তাকে সঙ্গে রাখতে হয় ব্যায়ামের জিনিসপত্র। এ জন্য যেখানেই যান, বিশাল লাগেজে করে তা বহন করতে হয়। এ জন্য তাকে বাড়তি ফি গুনতে হয় বিমানবন্দরে।
Share:

দেখুন কি আছে ওয়াল্টার রিড হাসপাতালের প্রেসিডেন্সিয়াল স্যুটে!

করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ভর্তি হয়েছেন ওয়াশিংটনের ওয়াল্টার রিড ন্যাশনাল মেডিকেল সেন্টারে। সেখানে প্রেসিডেন্সিয়াল স্যুটে অবস্থান করছেন তিনি। এই হাসপাতালে আছেন ৭ হাজার ১০০ স্টাফ। এর মধ্যে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ চিকিৎসকরাও। সেখানে প্রেসিডেন্সিয়াল স্যুট অত্যন্ত বিলাসবহুল। এটি ওয়ার্ড ৭১ নামে পরিচিত। যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ পদস্থ সামরিক কর্মকর্তা ও হোয়াইট হাউজের মন্ত্রীপরিষদের সদস্যদের জন্য এই হাসপাতালে এমন বিশেষ ৬টি রুমকে সংরক্ষণ করা হয়েছে। তার একটি প্রেসিডেন্সিয়াল স্যুট। এর ভিতর আছে সব রকম নিরাপত্তামুলক ডিভাইস, যোগাযোগ রক্ষা করার জন্য সরঞ্জাম। এ কথা লিখেছেন রিয়ার এডমিরাল কোনি মারিয়ানো। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডবিøউ বুশ এবং বিল ক্লিনটনকে চিকিৎসক হিসেবে সেবা দিয়েছেন। এ সময় তিনি হোয়াইট হাউজের মেডিকেল ইউনিটের পরিচালক ছিলেন।
ওয়াল্টার রিড হাসপাতালের সুনাম যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে। সিলভার স্প্রিংয়ে রয়েছে এর একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট অব রিসার্স। এটি মেরিল্যান্ডে হাসপাতালের কাছেই। ওই গবেষণা প্রতিষ্ঠানে বিজ্ঞানীরা টিকা উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করেন এবং করোনা ভাইরাসের মতো সংক্রামক রোগের চিকিৎসা নিয়ে কাজ করেন। আবার এই হাসপাতালের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগও আছে।
২০০৭ সালে সেখানে বেশ কিছু সেনা সদস্যকে চিকিৎসা দেয়া হয়। এ সময়ে তাদের অনেকে মারা যান। ফলে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ ওঠে। তা সত্তে¡ও এটাকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘দ্য নেশনস মেডিকেল সেন্টার’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয় এবং সেনাবাহিনীর প্রধানদের চিকিৎসা দেয়া হয় এখানে। এর রয়েছে শতাধিক ক্লিনিক।
এখানকার মেডিকেল ইভ্যালুয়েশন এন্ড ট্রিটমেন্ট ইউনিটে (এমইটিইউ) চিকিৎসা নিয়ে থাকেন প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্ট। এমইটিইউ অত্যন্ত নিরাপদ, প্রাইভেট ও হাসপাতালের বিস্তৃত অন্যান্য ওয়ার্ড থেকে আলাদা। এর ভিতর আছে একটি ডাইনিং রুম। তাতে আছে ক্রিস্টাল ক্যান্ডেলিয়য়ার। বেড থেকে কয়েক পা দূরে আছে একটি ডেস্ক বা টেবিল।
রুমগুলোকে সাজানো হয়েছে এমনভাবে যাতে সেখানে অতিথিরা যেতে পারেন। আছে নিরাপত্তা প্রযুক্তি। এ ছাড়া ট্রাম্প যাতে সেখানে অবস্থান করে তার প্রেসিডেন্সিয়াল সব দায়িত্ব পালন করতে পারেন, এমন সব সরঞ্জাম রয়েছে এর মধ্যে।
হোয়াইট হাউজ থেকে প্রায় ৯ মাইল দূরে এই হাসপাতাল। এতে আছে ২৪৪টি বেড। আর আছে ৫০টি আইসিইউ। এই হাসপাতালে আছে ১৬৫টি স্মার্ট স্যুট। এতে আছে ‘টু-ওয়ে’ যোগাযোগ বিষয় বিষয়ক ডিভাইস। আছে অডিও ভিজুয়াল, ওয়ারলেস সুবিধা। আছে বিছানার পাশে বিনোদনের ব্যবস্থা। সবই স্থানান্তরযোগ্য কিবোর্ড দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এ সুবিধা রোগীরা সব সময় ভোগ করতে পারেন।
Share:

খেলা নিয়ে পিতার বিরুদ্ধে যুবতীর মামলা

লুডু খেলায় পিতা জালিয়াতি বা প্রতারণা করেছেন বলে তার ওপর থেকে আস্থা হারিয়ে গেছে তার ২৪ বছর বয়সী কন্যার। উপায় না পেয়ে রাগে ক্ষোভে তার ওই যুবতী মেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। বিচার চেয়েছেন পিতার বিরুদ্ধে। সামান্য এক লুডু খেলায় পিতা প্রতারণা করেছেন এমন অভিযোগে সম্ভবত এমন বিচার এটাই প্রথম। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের মধ্যপ্রদেশে। সেখানে পারিবারিক আদালতের কাউন্সেলর সারিতা রজনীর কাছে বিচার চেয়েছেন ওই যুবতী। তিনি অভিযোগ করেছেন, তার পিতার সঙ্গে যখনই লুডু খেলতে গিয়েছেন তিনি, তখনই তিনি প্রতারণা করেছেন।
এ জন্য ওই যুবতী তার পিতার ওপর সম্মান হারিয়ে ফেলেছেন। এখন তিনি পিতাকে ‘বাবা’ বলতেও দ্বিধাবোধ করেন। রজনী বলেন, এই পিতা ও তার কন্যার মধ্যে আগে সম্পর্ক ভাল ছিল। শুধু লুডু খেলায় তার মেয়ে হেরে যান। এ থেকে পিতার প্রতি তার অশ্রদ্ধা চলে এসেছে। এ জন্য ওই যুবতী কাঁদতে থাকেন। তিনি মনে করেন, তাকে অপমান করতে পিতা বার বার তাকে হারিয়েছেন। রজনী বলেছেন, আমি ওই যুবতীর সঙ্গে চারবার বৈঠক করেছি। তাকে বুঝিয়েছি। এরপর কিছুটা ইতিবাচক পরিবর্তন হয়েছে তার মধ্যে।
Share:

এত্ত লম্বা পা!

চিংড়ি মাছের পরিচিতি তার হাত-পায়ের জন্য। শরীরের চেয়ে তার হাত-পায়ের দৈর্ঘ্য অনেক সময় বেশি থাকে। আমরা জানি জিরাফের গলা তার দেহের চেয়ে লম্বা। এমন কি মানুষের ক্ষেত্রে হয়? হয়। বিশ্বে অস্বাভাবিক গঠনের মানুষ আছেন ঢের। এই যেমন যুক্তরাষ্ট্রের মাসি কারিন। তিনি টেক্সাসে বসবাসকারী ১৭ বছর বয়সী কিশোরী। কিন্তু তার আছে বিশ্বে সবার থেকে লম্বা দুটি পা। তার ডান পা ১৩৪.৩ সেন্টিমিটার লম্বা। আর বাম পা ১৩৫.৩ সেন্টিমিটার লম্বা।
আর সব মিলে তার উচ্চতা ৬ ফুট ১০ ইঞ্চি। সবচেয়ে লম্বা পায়ের বিশ্বরেকর্ড তার দখলে এলেও এখনও মোট উচ্চতায় বিশ্ব রেকর্ড ভাঙতে পারেন নি। বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা মানুষের রেকর্ড চীনের সান ফাং-এর। তার উচ্চতা ৭ ফুট ৩ ইঞ্চি।
মাসি কারিন সবচেয়ে লম্বা পায়ের বিশ্ব রেকর্ডের স্বীকৃতি পেয়েছেন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস থেকে। এর আগে এই খেতাব ছিল রাশিয়ার একতেরিনা লিসিনার দখলে।
কিন্তু তার চেয়ে লম্বা পা হওয়ার কারণে এখন এর দখল মাসি কারিনার। তার পা এত লম্বা হওয়ার কারণে অসুবিধাও ভোগ করতে হয়। গাড়িতে চড়তে পারেন না ঠিকমতো।
পা আটকে যায় সামনের সিটে। তবে হেঁটে অন্যদের চেয়ে আগে যেতে পারেন সহজেই। আর স্কুলের ভলিবলে তিনি পান বাড়তি সুবিধা।
Share:

করোনায় মারা গেছেন খ্যাতনামা ডিজাইনার কেনজো তাকাদা

জাপানের জনপ্রিয় ফ্যাশন ব্রান্ড কেনজো’র প্রতিষ্ঠাতা কেনজো তাকাদা করোনায় মারা গেছেন। এ সময় তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। প্যারিসে আমেরিকান হাসপাতালে মারা যাওয়ার পর সারা বিশ্ব থেকে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে। তার উজ্বল গ্রাফিক্স, জঙ্গলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রিন্ট এবং রঙে ইলেকট্রিক ব্যবহার তাকে বিশ্বজোড়া খ্যাতি এনে দেয়। তিনি প্যারিসের ফ্যাশন জগতে বিখ্যাত হয়ে ওঠেন। তিনিই প্রথম জাপানি এমন খ্যাতি অর্জনকারী। ১৯৬০ এর দশকে তিনি ফ্রান্সে বসতি স্থাপন করেন। জীবনের বাকি দিনগুলো সেখানেই কাটিয়ে দেন। এ সময়ে তিনি প্রায় ৮০০০ ডিজাইন করেন। তবে এতেই থেমে থাকেননি কেনজো তাকাদা। তার এক মুখপাত্র বলেছেন, তিনি বেঁচে থাকতেন তার আর্টের মধ্যে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। তার মৃত্যুতে শোক জানিয়ে শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছেন প্যারিসের মেয়র অ্যান হিদালগো। তিনি টুইটে লিখেছেন, অপরিসীম মেধার অধিকারী এই ডিজাইনার কালার এবং লাইটকে ফ্যাশন জগতে বড় এক স্থান করে দিয়েছেন। প্যারিস তার একজন সন্তানকে হারিয়ে শোক প্রকাশ করছে। বিলাসবহুল এলভিএমএইসের প্রধান নির্বাহী সিডনি টোলেদানোকে উদ্ধৃত করে ফ্যাশন বিষয়ক সংবাদের ওয়েবসাইট ডব্লিউডব্লিউডি ডট কম লিখেছে, তিনি যখন এই ব্রান্ডের শুরু করেন সেই ১৯৭০ এর দশক থেকে আমি তার ব্রান্ডের ভক্ত। আমি মনে করি তিনি একজন মহৎ ডিজাইনার। অনেক জাপানি তাদের শোক প্রকাশ করেছেন সামাজিক মাধ্যমে। তাদের অনেকে বলেছেন, তাদের প্রথম বিলাসী পণ্যের মধ্যে রয়েছে কেনজো ব্রান্ডের পোশাক। একজন টুইটার ব্যবহারকারী লিখেছেন, আমি প্রথম যে ওয়ালেটটা ব্যবহার করি, সেটা কেনজো ব্রান্ডের। যদিও এটা ছোট্ট একটি জিনিস, তবু আমি চিরদিন এর কথা মনে রাখবো। তার আত্মা শান্তিতে থাকুক। আরেকজন লিখেছেন, আমার মায়ের কাছ থেকে কেনজো ব্রান্ডের পোশাক পেয়েছি। এখনও আমি তা পরি। অনেকে লিখেছেন, তারা কেনজো ব্রান্ডের রুমাল ব্যবহার করেন। জাপানে রুমালের ব্যবহার এখনও জনপ্রিয়। জাপানের হিমেজি’তে ১৯৩৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন কেনজো তাকাদা। এরপর বোটে করে ১৯৬৫ সালে চলে যান ফ্রান্সে। সেখানে বসতি স্থাপন করেন প্যারিসে। ১৯৭০ এর দশকে নিজের নামের প্রথম শব্দ ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক ব্রান্ড কেনজো প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৮৩ সালে পুরুষদের পণ্য চালু করেন। ১৯৮০র দশকে কেনজো জিন্স এবং কেনজো জাঙ্গল নামে আরো ক্যাজুয়াল স্পোর্টসওয়্যার চালু করেন। ১৯৯৩ সালে বিলাসবহুল এলভিএমএইচের কাছে তার পোশাকের ব্রান্ড বিক্রি করে দেন। এর ৬ বছর পরে ফ্যাশন থেকে অবসর নেন।
Share:

Search This Blog

Powered by Blogger.
  • ()

Recent Posts

Pages