কুমড়ো চাষীকে ১৪ লাখ টাকা পুরস্কার!

দ্য টাইগার কিং। নামটার বাংলা করলে দাঁড়ায়- বাঘের রাজা। মনে হতে পারে এই শব্দ কয়টি কোনো বাঘ প্রসঙ্গে বলা। আসলে তা নয়। এটি কোনো পশুর বেলায়ও ব্যবহার করা হয়নি। এই নাম দেয়া হয়েছে একটি কুমড়োকে। যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটায় জন্মেছে একটি কুমড়ো। তা এত্তবড় যে, দেখে যেকেউ ভয় পেয়ে যেতে পারেন। কুমড়োটির ওজন ২৩৫০ পাউন্ড বা প্রায় ১০৬৬ কেজি। একবার কল্পনা করুন কতটা বড় ওই কুমড়ো।
এক প্রতিযোগিতায় এই কুমড়ো হাজির করেছিলেন মিনেসোটার কৃষক ট্রাভিস জিনজার। ক্যালিফোর্নিয়ার উত্তরাঞ্চলে বড় বড় কুমড়োর এক প্রদর্শনী হয়। সেখানে যে যত বড় সম্ভব কুমড়ো নিয়ে হাজির। তাতে যার কুমড়ো সবচেয়ে বড় হয়, তিনি হন বিজয়ী। ওই প্রতিযোগিতার নাম দেয়া হয়েছে ‘সুপার বৌল অব পাম্পকিনস’। সিএনএনকে উদ্ধৃত করে ১৫ই অক্টোবর এ খবর দিয়েছে ইউপিআই।
এতে বলা হয়, ওই প্রতিযোগিতায় নিজের ‘দ্য টাইগার কিং’ উপস্থাপন করে প্রথম পুরস্কার বাগিয়ে নেন ট্রাভিস জিনজার। বিনিময়ে পুরস্কার পান ১৬ হাজার ৪৫০ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ১৩ লাখ ৯৪ হাজার ৬২৬ টাকা বা প্রায় ১৪ লাখ টাকা। প্রতিযোগিতায় যে কুমড়ো বিজয়ী হয় তাকে প্রতি পাউন্ড ওজনের বিপরীতে ৭ ডলার করে পুরস্কার দেয়া হয়। ট্রাভিস জিনজার বলেছেন, তিনি তার কুমড়ার এমন নাম দিয়েছেন নেটফ্লিক্সের সিরিজ ‘টাইগার কিং’ থেকে।
কারণ, সেখানে টাইগার কিংয়ের গায়ে ডোরাকাটা রঙিন দাগ আছে, যেমনটা আছে তার কুমড়ার গায়ে। তিনি বলেন, আমি দেখলাম এই ডোরাকাটা দাগগুলো কমলা এবং সাদা। আমার ভাই বললো, ওহ এতো ২০২০, আমাদের উচিত এটার নাম টাইগার কিং রাখা। ভাইয়ের কথায় আমারও মনে হলো, চমৎকার আইডিয়া। ফলে আমাদের ‘দ্য টাইগার কিং’ নামের কুমড়ো এ বছর ২০২০ সালে উত্তর আমেরিকায় সবচেয়ে বড় ও সবচেয়ে বেশি ওজনের কুমড়ো নির্বাচিত হয়ে রেকর্ড করেছে।
এ ঘটনার পরই ফেসবুক পোস্টে ট্রাভিস জিনজারকে অভিনন্দন জানিয়েছে ‘দ্য সেফওয়ে ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ পাম্পকিন ওয়ে-অফ’। তারা তাকে এ বছরের ‘পাম্পকিন কিং অব হাফ মুন বে’ নামে ভূষিত করেছে।
১৯৭৪ সাল থেকে কুমড়ো উৎপাদনকারীরা প্রতিটি কলম্বাস দিবসে হাফ মুন বে প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে। বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ওজরেন কুমড়োর বিশ্বরেকর্ড হলো ২৬২৪ পাউন্ডের কুমড়ো। জার্মানির লুডিগসবার্গে ‘জায়ান্ট পাম্পকিন ইউরোপ চ্যাম্পিয়নশিপে’ ২০১৬ সালের ৯ই অক্টোর এমন কুমড়ো উপস্থাপন করেছিলেন বেলজিয়ামের ম্যাথিয়াস উইলেমিজনস।
Share:

আল্লাহ দিলে ঠেকায় কে!

কথায় বলে আল্লাহ যাকে দেন উজার করে দেন। তেমনি ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনার এক ব্যক্তির ভাগ্যে। তিনি একজন ট্রাক চালক। যাচ্ছিলেন দাঁতের ডাক্তারের কাছে। পথে একটি দোকান দেখে কি মনে হলো, সেখানে ঢুঁ মারলেন। তাতেই বদলে গেল তার ভাগ্য। তিনি মাত্র ২০ ডলার দিয়ে একটি স্ক্র্যাচ-অফ টিকেট কিনলেন। তা থেকেই তিনি ৭ লাখ ৫০ হাজার ডলারের জ্যাকপট লটারি জিতে নিলেন। প্রথমে তো নিজে বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না নিজেকে। নর্থ ক্যারোলাইনা এডুকেশন লটারি কর্মকর্তাদের নর্থ মিরটল বিচের ল্যারি হেলস বলেছেন, তিনি নর্থ ক্যারোলাইনায় দাঁতের ডাক্তারের কাছে যাচ্ছিলেন। পথে হ্যান-ডি হুগো স্টোরে কোন মনে ঢুকে পড়েন। কিনে নেন ২০ ডলারের একটি টিকেট। সঙ্গে কেনেন ১০ ডলারের একটি জাম্বো বাকস টিকেট। ল্যারি হেলস বলেছেন, টিকেট সঙ্গে নিয়ে তিনি নিজের ট্রাকে রাখেন। তারপর ছুটতে থাকেন ডাক্তারের কাছে। ল্যারি হেলস বলেন, এক পর্যায়ে আমি সঙ্গে থাকা কিছু অর্থ ব্যাংকে জমা দিতে যাই। এ সময় ওই স্ক্র্যাচ-অফ লটারি ঘষে দেখি। ঘষেই তো আমার চোখ ছানাবড়া। দেখি আমি ৭ লাখ ৫০ হাজার ডলারের পুরষ্কার জিতেছি। আমার বিশ্বাসই হয়নি। ছুটে গেলাম বাসায় আমার প্রিয়তমা স্ত্রীর কাছে। তাকে টিকেটটা দিয়ে বললাম- দেখতো আমি ঠিক পড়ছি নাকি। আমি কি বিজয়ী হয়েছি? আমার স্ত্রী নিশ্চিত করলেন। আনন্দে যেন তখন আমার ঘর ফেটে যাচ্ছিল। কি করবো বুঝতে পারছিলাম না। মুহূর্তের মধ্যে আমার কাছে সারা পৃথিবী রঙিন হয়ে গেল। তারপর এই পুরস্কার নিতে আসা। হেলস এবং তার স্ত্রী বলেছেন, তারা এই অর্থ দিয়ে প্রথমেই বাড়িটা মেরামত করাবেন। তারপর কিনবেন একটি নতুন গাড়ি। হতে পারে তা একটি ট্রাক। 


Share:

ছবি যখন কথা বলে!

‘দ্য অ্যাফেয়ার’ ছবির অভিনেতা ডমিনিক ওয়েস্ট (৫০)। তিনি বিবাহিত। স্ত্রীর নাম আইরিশ ডিজাইনার, অ্যারিস্টোক্র্যাট ক্যাথেরিন ফিটজেরাল্ড। আছে চার সন্তান- ডোরা (১৩),সিনান (১২) ফ্রাঁসিস (১১) এবং ক্রিস্টাবেল (৭)। কিন্তু ইতালির রোমে তাকে এক যুবতীর প্রেমে মজে থাকতে দেখা গেছে। ওই যুবতী তার চেয়ে ১৯ বছরের ছোট। নাম লিলি জেমস। তাদেরকে ইতালির রোমে দেখা গেছে রোমান্টিকভাবে ঘোরাফেরা করতে। চুমুতে আটকে থাকতে দেখা গেছে তাদের ঠোঁট। স্ত্রীর সঙ্গে তার বিচ্ছেদ হয়নি। তা সত্তে¡ও বিবাহ বহির্ভূত এমন সম্পর্কে জড়িয়ে তিনি চুটিয়ে প্রেম পর্ব উদযাপন করছেন। 
ডমিনিক ওয়েস্ট বেশি পরিচিতি পেয়েছেন ‘নোয়া সোলোওয়ে’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে। এ ছাড়া অভিনয় করেছেন দ্য অ্যাফেয়ার ছবিতে। সেখানে তাকে দেখা যায় তার ক্যারেক্টার এবং অ্যালিসন বেইলি বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে যান। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন যে, ৩১ বছর বয়সী লিলি তার স্বামী ম্যাট স্মিথের (৩৭) সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটিয়েছেন চিরদিনের জন্য। 

তার আগে তিনি ওই সম্পর্ক ধরে রাখার চেষ্টা করেছিলেন। তবে এর আগে জুলাই মাসে লিলিকে দেখা গিয়েছিল লন্ডনে ক্যাপ্টেন আমেরিকা তারকা ক্রিস ইভান্সের (৩৯) সঙ্গে। কিন্তু রোমে ১১ই অক্টোবর রোববার রোমান্সে মেতে ওঠেন ডমিনিক ও লিলি জেমস। তাদের এমন কান্ডকীর্তি দেখে প্রত্যক্ষদর্শীদের তো চোখ ছাড়াবড়া। 
এখানে উল্লেখ্য, লিলিও একজন অভিনেত্রী। তিনি ‘মামা মিয়া!’ ছবিতে অভিনয় করেছেন। মিডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, তারা রোমে হোটেল ডি লা ভিলে দুই রাত কাটিয়েছেন। এ সময় পুরো শহরে ঘুরেছেন। ইলেকট্রিক স্কুটারে করে তারা স্প্যানিশ স্টেপস, পিজা দি পিয়েত্রার চারদিকে ঘুরেছেন অন্তরঙ্গভাবে। 


















Share:

ব্রিজিত বার্দোর বাড়িতে কি আছে?

আজ আপনাদেরকে নিয়ে যাবো ব্রিজিত বার্দো’র বাড়ির ভিতর। যারা তাকে না চেনেন, তাদেরকে বলছি, তিনি ১৯৫০ ও ১৯৬০ এর দশকের ফরাসি চলচ্চিত্রের ভীষণ বিখ্যাত একজন অভিনেত্রী। তার যৌবনের উচ্ছলতা দিয়ে সারা বিশ্বকে মাত করে দিয়েছিলেন। ছিলেন রগরগে মডেল, গায়িকা। তার নাম উচ্চারণ করলেই সবার সামনে ভেসে উঠতো একজন আবেদনময়ী অভিনেত্রীর ছবি। তিনি বর্তমানে কেমন আছেন? চলুন দেখে আসি তাকে। তিনি সেইন্ট ট্রোপের এক বাড়িতেই বসবাস করছেন গত ৬২ বছর।  বর্তমানে তার বয়স ৮৫ বছর। বাইরের জগত থেকে বিচ্ছিন্ন চলচ্চিত্রে ঝড়ো এক ইনিংস খেলে তিনি ৬২ বছর আগে সিদ্ধান্ত নেন বসবাস করবেন ফ্রান্সের উপকূলীয় শহর লা মাদ্রাগু’তে। সেখানে তিনি যে বাড়িতে বসবাস করছেন তার সামনেই ওয়াটারফ্রন্ট। কিন্তু বাইরের দুনিয়া থেকে তার বাড়িটি উঁচু দেয়াল, বেড়া তুলে আলাদা করে ফেলা হয়েছে। ভিতরে আছে নানা রকম বিশালাকার গাছ। এখানেই তিনি তার শান্তি আর ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে খুঁজে নিয়েছেন। বে অব ক্যানোউবিয়ার থেকে দৃষ্টিগোচর হয় না তার বাড়ি। তিনি একবার ভ্যানিটি ফেয়ারকে দেয়া সাক্ষাতকারে বলেছিলেন, এই বাড়িটি একেবারে শান্ত। এখানে আমি মেরিলিন মনরো এবং রোমি শিন্ডারের মতো জীবন অতিবাহিত করতে চাই। 
আমি শুধু আমার ভিতর থাকতে চেয়েছি
যদিও তিনি ১৯৫০ এর দশকের একজন বিখ্যাত চলচ্চিত্র তারকা, তবু ওই সময়টাকে তার জীবনের ইতিবাচক হিসেবে দেখেন না সব সময়। ১৯৭৩ সালে যখন তার খ্যাতি সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে, তখন তিনি অভিনয় বন্ধ করে দেন। সিনেমা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন। তারপরই তার ভাষায়, খুঁজে নেন আসল জীবণ। তার ভাষায় ‘এন্ড গড ক্রিয়েটেড ওম্যান’ ছবিতে অভিনয়ের পরে এবং আগে মনে হয়েছিল, আমি যা হতে চাই তা তো কখনোই হতে পারি নি। আমার সেই চাওয়া ছিল সরাসরি এবং সততার। উল্লেখ্য, তিনি নির্লজ্জ যৌনতা এবং পিন-আপ গার্ল হিসেবে সারা বিশ্বে নিন্দিত হয়েছেন। এ সম্পর্কে ব্রিজিত বার্দো বলেন, এসবে মোটেও ক্ষুব্ধ হইনি আমি। আমি তো এমনটা হতে চাই নি। আমি শুধু আমার হতে চেয়েছি।

প্রকৃতির সঙ্গে বসবাস

ব্রিজিত বার্দো যেখানে বসবাস করছেন জীবনের এতগুলো দিন, তা সাজানো হয়েছে তার ইচ্ছে অনুযায়ী।  এর ভিতর ছড়ানো আছে প্রশান্তি। তিনি স্বামী বার্নার্ড ডি’ওরমালেকে নিয়ে বসবাস করছেন সেখানে। তাদের দু’জনের কেউই খুব বেশি মানুষের সঙ্গে সাক্ষাত দেন না। এখন তারা নিজেদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় রাখেন। চারদিকে সাজানো গাছপালা, পশুপাখি, নিরিবিলি পরিবেশের মধ্যে বসবাস করছেন প্রকৃতির সঙ্গে। 

বাড়ির ভিতর কেমন

ব্রিজিত বার্দোর বাড়ির ভিতর দেখতে উষ্ণ এক ইন্টেরিয়রে সাজানো। ১৯৭০ এর দশকের প্রভাব লক্ষণীয়। একবিংশ শতাব্দীর প্রযুক্তি সাবেক এই অভিনেত্রীর কাছে এক আবর্জনা। কলম আর কাগজ ব্যবহার করে তিনি এখনও লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করেন। তিনি যে ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছেন, তা কাজ করে পশুর অধিকার নিয়ে। অনেক বছর ধরে তিনি পশুর কল্যাণের প্রতি প্রতিশ্রæতিবদ্ধ। এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেছেন, পশু রক্ষার চেয়ে গাড়ি রক্ষার জন্য অধিক আইন আছে। এটা এক অদ্ভুত ব্যাপার। এসব পশুর জন্যই আমি কখনো নিজেকে বুড়ো অথবা অনাবশ্যক মনে করি না। তার এসব কথার প্রতিফলন ঘটে তার বাড়ির ভিতরেই। পুরো বাড়িতেই আছে ছাগল, ঘোড়া, ভেড়া এমন কি শূকর। 

অসুস্থ ব্রিজিত বার্দো

সেইন্ট ট্রোপেজে অনেক বছর ধরে আইসোলেশনে ব্রিজিত বার্দো। তবে আর্থাইটিস সহ নানা রকম স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন তিনি। এ জন্য তাকে একটি লাঠিতে ভর দিয়ে হাঁটতে হয়। অসুস্থ হলে কি! তিনি জীবনকে উপভোগ করেন। এখনও প্রতিদিন এক থেকে দুই গøাস শ্যাম্পেন পান করেন। 

আরও ছবি





Share:

আঙ্গুলই বলে দেবে আপনি কেমন!

আপনার আঙ্গুলই বলে দেবে আপনার ব্যক্তিত্ব কেমন, কেমন মানুষ আপনি। আপনি কি বেশি খরুচে মানুষ, নাকি কিপ্টা। সবটা বলে দেবে আপনার হাতের আঙ্গুল। এমনটা দেখবেন গ্রামের মানুষ খুব বেশি বিশ্বাস করেন। কারো হাত দেখে, হাতের আঙ্গুল কোনটার চেয়ে কোনটা ছোট বা বড়, তার ওপর ভিত্তি করে কেউ বলে দিচ্ছেন- কেমন মানুষ তিনি। তার সামনে বিপদ আছে কিনা। অথবা তিনি ধনী হবেন ভবিষ্যতে নাকি গরিব হবেন। বহু মানুষ কিন্তু এসব ভবিষ্যদ্বাণী বিশ্বাসও করেন। কিভাবে তারা এসব বলে দেন? হ্যাঁ, আসল রহস্যটা লুকিয়ে আছে আপনার, আমার অনামিকা এবং তর্জনিতে। এই দুটি আঙ্গুল আপনাকে বলে দেবে আপনার সম্পর্কে অনেক কথা। এই আঙ্গুল দুটি বিশেষত প্রয়োগ করা হয় পুরুষের ক্ষেত্রে। এই দুটি আঙ্গুলের দৈর্ঘ্য ইঙ্গিত দেয়, পুরুষের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কি পরিমাণ। টেস্টোস্টেরন হলো পুরুষের সেক্স হরমোন। এটি যার যথাযথভাবে থাকে তিনি খুব আবেদনময় হন। এই আঙ্গুল দুটি তিন রকমের হয়।

ধরন-১: যদি আপনার অনামিক তর্জনির চেয়ে বড় হয় যদি আপনার অনামিকা তর্জনির চেয়ে বড় হয় তাহলে আপনি একজন হ্যান্ডসাম পুরুষ। এসব পুরুষ উষ্ণ হন এবং তারা উৎফুল্ল থাকেন। সবার সঙ্গে মিশতে পারেন। তবে এ ধারার পুরুষ সামান্য আগ্রাসী হন। সহজে ঝুঁকি নিতে পছন্দ করেন। তর্জনির চেয়ে অনামিকা বড় হলে সেই ব্যক্তি তার সহকর্মীদের চেয়ে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বেশি অর্থের মালিক হন।
ধরন-২: অনামিকা যদি তর্জনির চেয়ে ছোট হয় এই ধরনের পুরুষ খুব আত্মবিশ্বাসী হন। খুব কম আত্মকেন্দ্রিক হন তারা। মাঝে মাষে তারা একা থাকলেও বিরক্তিবোধ করেন না। তাদেরকে কেউ বিরক্ত করুক এমনটাও পছন্দ করেন না। যখন তাদের জীবনে ভালবাসা আসে, তখন তাদের ভিতর কম আস্থা কাজ করে। কারণ, তারা দ্রæত সিদ্ধান্ত নিতে এবং ব্যবস্থা নিতে দ্বিধাবোধ করেন। 

ধরন-৩: যদি অনামিক এবং তর্জনির দৈঘ্য সমান হয় এই ধরনের মানুষ খুব ভাল মধ্যস্থতাকারী হন। তারা খুব অনুগত হন। ভালবাসাময় হন। এই ধরনের মানুষ সবকিছুতে ভারসাম্য রেখে চলতে পারেন। তারা হন ঠান্ডা মাথার। তাদের দৃষ্টিতে সবকিছু মসৃণ গতিতে চলে। মিলিয়ে নিন এর মধ্যে কোন ধরনের পুরুষ আপনি!
Share:

বিমানবন্দরে অদ্ভুতুড়ে!

বিমানবন্দরে কতশত নিয়ম। চেকআপের লাইন। ফ্লাইট বুক করা। আবহাওয়ার কারণে ফ্লাইট বিলম্ব। এসব কারণে মানুষের কত যে ভোগান্তি তার শেষ নেই। তবে এই বিলম্বে কেউ কেউ বিনোদন বা জীবনে একটু মজা আনেন। কিভাবে? চলুন সচিত্র দেখা যাক। ফ্রাইডে নাইট লাইটস-এর অভিনেত্রী মিনকা কেলি কোন এক সকালে ছুটি কাটাতে লস অ্যানজেলেস ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট থেকে বিমানে উঠার জন্য অপেক্ষায় ছিলেন। দেখুন তার অপেক্ষা।
বিমানবন্দরে আপনাকে চেকআপের মুখে পড়তেই হবে। দায়িত্বরতরা আপনার পাসপোর্ট চাইবেন। ফোন নম্বর জানতে চাইতে পারেন। কিন্তু এই যুবতীর কাÐ দেখেন। তিনি যে অঙ্গভঙ্গি করেছেন চেকআপে তাতে কে কি চেক করবেন, তার দিকে হা করে তাকিয়ে ছিলেন নিশ্চয় অন্যরাও।
চালিতা সুয়ানসানে হলেন মিস ইউনিভার্স থাইল্যান্ড। তিনি যখন সফর করেন, তখন তার সঙ্গে থাকে বিপুল সংখ্যক লাগেজ। ম্যানিলায় যখন নিনোয় একুইনো ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে গিয়েছিলেন তিনি, তখন তার সঙ্গে ছিল ১৭টি লাগেজ। এসব কারণে তাকে কেউ কেউ মিস ইউনিভার্স অব লাগেজ বলে থাকেন।
এয়ারপোর্টে এসে দেখলেন ফ্লাইট বিলম্ব কয়েক ঘন্টা। হোটেলও বুকড। কোথাও বিশ্রাম নেয়ার জায়গা নেই। অগত্যা আর কি করবেন! ঘুমিয়ে পড়–ন এই যুবতীর মতো। চেয়ারের হাতলের ভিতর দিয়ে বডি ঢুকিয়ে দিয়ে এভাবে সটান শুয়ে পড়ুন।
বিমান বন্দর দিয়ে ব্যাপক আকারে মানব পাচার হয়। এর বিরুদ্ধে সোচ্চার অনেকে। তবে এই যুবতী এর প্রতিবাদে দেখুন না একটি স্বচ্ছ সুইটকেসের ভিতর কিভাবে নিজেকে ঢুকিয়ে দিয়েছেন। এর মাধ্যমে নাকি তিনি সচেতনতা সৃষ্টি করছেন।
এই বিমানটির চালক বা পাইলট মনে হয় প্রথম দিন বিমান চালাচ্ছিলেন। রাস্তায় প্রথম দিন গাড়ি চালাতে গেলে যেমন হয়, তিনি তেমন কান্ড ঘটিয়ে বসেছেন। একটি বিমানের ভিতর তার বিমান ঢুকিয়ে দিয়েছেন। হয়তো তিনি টেরও পান নি।
রেসলার ডোয়ানে জনসনকে চেনেন না এমন মানুষ পাওয়া কঠিন। তিনি রক নামেই বেশি পরিচিত। তিনি নিয়মিত ব্যায়াম করেন। তাই সব সময় তাকে সঙ্গে রাখতে হয় ব্যায়ামের জিনিসপত্র। এ জন্য যেখানেই যান, বিশাল লাগেজে করে তা বহন করতে হয়। এ জন্য তাকে বাড়তি ফি গুনতে হয় বিমানবন্দরে।
Share:

দেখুন কি আছে ওয়াল্টার রিড হাসপাতালের প্রেসিডেন্সিয়াল স্যুটে!

করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ভর্তি হয়েছেন ওয়াশিংটনের ওয়াল্টার রিড ন্যাশনাল মেডিকেল সেন্টারে। সেখানে প্রেসিডেন্সিয়াল স্যুটে অবস্থান করছেন তিনি। এই হাসপাতালে আছেন ৭ হাজার ১০০ স্টাফ। এর মধ্যে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ চিকিৎসকরাও। সেখানে প্রেসিডেন্সিয়াল স্যুট অত্যন্ত বিলাসবহুল। এটি ওয়ার্ড ৭১ নামে পরিচিত। যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ পদস্থ সামরিক কর্মকর্তা ও হোয়াইট হাউজের মন্ত্রীপরিষদের সদস্যদের জন্য এই হাসপাতালে এমন বিশেষ ৬টি রুমকে সংরক্ষণ করা হয়েছে। তার একটি প্রেসিডেন্সিয়াল স্যুট। এর ভিতর আছে সব রকম নিরাপত্তামুলক ডিভাইস, যোগাযোগ রক্ষা করার জন্য সরঞ্জাম। এ কথা লিখেছেন রিয়ার এডমিরাল কোনি মারিয়ানো। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডবিøউ বুশ এবং বিল ক্লিনটনকে চিকিৎসক হিসেবে সেবা দিয়েছেন। এ সময় তিনি হোয়াইট হাউজের মেডিকেল ইউনিটের পরিচালক ছিলেন।
ওয়াল্টার রিড হাসপাতালের সুনাম যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে। সিলভার স্প্রিংয়ে রয়েছে এর একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট অব রিসার্স। এটি মেরিল্যান্ডে হাসপাতালের কাছেই। ওই গবেষণা প্রতিষ্ঠানে বিজ্ঞানীরা টিকা উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করেন এবং করোনা ভাইরাসের মতো সংক্রামক রোগের চিকিৎসা নিয়ে কাজ করেন। আবার এই হাসপাতালের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগও আছে।
২০০৭ সালে সেখানে বেশ কিছু সেনা সদস্যকে চিকিৎসা দেয়া হয়। এ সময়ে তাদের অনেকে মারা যান। ফলে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ ওঠে। তা সত্তে¡ও এটাকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘দ্য নেশনস মেডিকেল সেন্টার’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয় এবং সেনাবাহিনীর প্রধানদের চিকিৎসা দেয়া হয় এখানে। এর রয়েছে শতাধিক ক্লিনিক।
এখানকার মেডিকেল ইভ্যালুয়েশন এন্ড ট্রিটমেন্ট ইউনিটে (এমইটিইউ) চিকিৎসা নিয়ে থাকেন প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্ট। এমইটিইউ অত্যন্ত নিরাপদ, প্রাইভেট ও হাসপাতালের বিস্তৃত অন্যান্য ওয়ার্ড থেকে আলাদা। এর ভিতর আছে একটি ডাইনিং রুম। তাতে আছে ক্রিস্টাল ক্যান্ডেলিয়য়ার। বেড থেকে কয়েক পা দূরে আছে একটি ডেস্ক বা টেবিল।
রুমগুলোকে সাজানো হয়েছে এমনভাবে যাতে সেখানে অতিথিরা যেতে পারেন। আছে নিরাপত্তা প্রযুক্তি। এ ছাড়া ট্রাম্প যাতে সেখানে অবস্থান করে তার প্রেসিডেন্সিয়াল সব দায়িত্ব পালন করতে পারেন, এমন সব সরঞ্জাম রয়েছে এর মধ্যে।
হোয়াইট হাউজ থেকে প্রায় ৯ মাইল দূরে এই হাসপাতাল। এতে আছে ২৪৪টি বেড। আর আছে ৫০টি আইসিইউ। এই হাসপাতালে আছে ১৬৫টি স্মার্ট স্যুট। এতে আছে ‘টু-ওয়ে’ যোগাযোগ বিষয় বিষয়ক ডিভাইস। আছে অডিও ভিজুয়াল, ওয়ারলেস সুবিধা। আছে বিছানার পাশে বিনোদনের ব্যবস্থা। সবই স্থানান্তরযোগ্য কিবোর্ড দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এ সুবিধা রোগীরা সব সময় ভোগ করতে পারেন।
Share:

Search This Blog

Powered by Blogger.
  • ()

Recent Posts

Pages