কুমড়ো চাষীকে ১৪ লাখ টাকা পুরস্কার!
আল্লাহ দিলে ঠেকায় কে!
কথায় বলে আল্লাহ যাকে দেন উজার করে দেন। তেমনি ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনার এক ব্যক্তির ভাগ্যে। তিনি একজন ট্রাক চালক। যাচ্ছিলেন দাঁতের ডাক্তারের কাছে। পথে একটি দোকান দেখে কি মনে হলো, সেখানে ঢুঁ মারলেন। তাতেই বদলে গেল তার ভাগ্য। তিনি মাত্র ২০ ডলার দিয়ে একটি স্ক্র্যাচ-অফ টিকেট কিনলেন। তা থেকেই তিনি ৭ লাখ ৫০ হাজার ডলারের জ্যাকপট লটারি জিতে নিলেন। প্রথমে তো নিজে বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না নিজেকে। নর্থ ক্যারোলাইনা এডুকেশন লটারি কর্মকর্তাদের নর্থ মিরটল বিচের ল্যারি হেলস বলেছেন, তিনি নর্থ ক্যারোলাইনায় দাঁতের ডাক্তারের কাছে যাচ্ছিলেন। পথে হ্যান-ডি হুগো স্টোরে কোন মনে ঢুকে পড়েন। কিনে নেন ২০ ডলারের একটি টিকেট। সঙ্গে কেনেন ১০ ডলারের একটি জাম্বো বাকস টিকেট। ল্যারি হেলস বলেছেন, টিকেট সঙ্গে নিয়ে তিনি নিজের ট্রাকে রাখেন। তারপর ছুটতে থাকেন ডাক্তারের কাছে। ল্যারি হেলস বলেন, এক পর্যায়ে আমি সঙ্গে থাকা কিছু অর্থ ব্যাংকে জমা দিতে যাই। এ সময় ওই স্ক্র্যাচ-অফ লটারি ঘষে দেখি। ঘষেই তো আমার চোখ ছানাবড়া। দেখি আমি ৭ লাখ ৫০ হাজার ডলারের পুরষ্কার জিতেছি। আমার বিশ্বাসই হয়নি। ছুটে গেলাম বাসায় আমার প্রিয়তমা স্ত্রীর কাছে। তাকে টিকেটটা দিয়ে বললাম- দেখতো আমি ঠিক পড়ছি নাকি। আমি কি বিজয়ী হয়েছি? আমার স্ত্রী নিশ্চিত করলেন। আনন্দে যেন তখন আমার ঘর ফেটে যাচ্ছিল। কি করবো বুঝতে পারছিলাম না। মুহূর্তের মধ্যে আমার কাছে সারা পৃথিবী রঙিন হয়ে গেল। তারপর এই পুরস্কার নিতে আসা। হেলস এবং তার স্ত্রী বলেছেন, তারা এই অর্থ দিয়ে প্রথমেই বাড়িটা মেরামত করাবেন। তারপর কিনবেন একটি নতুন গাড়ি। হতে পারে তা একটি ট্রাক।
ছবি যখন কথা বলে!
ব্রিজিত বার্দোর বাড়িতে কি আছে?
প্রকৃতির সঙ্গে বসবাস
ব্রিজিত বার্দো যেখানে বসবাস করছেন জীবনের এতগুলো দিন, তা সাজানো হয়েছে তার ইচ্ছে অনুযায়ী। এর ভিতর ছড়ানো আছে প্রশান্তি। তিনি স্বামী বার্নার্ড ডি’ওরমালেকে নিয়ে বসবাস করছেন সেখানে। তাদের দু’জনের কেউই খুব বেশি মানুষের সঙ্গে সাক্ষাত দেন না। এখন তারা নিজেদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় রাখেন। চারদিকে সাজানো গাছপালা, পশুপাখি, নিরিবিলি পরিবেশের মধ্যে বসবাস করছেন প্রকৃতির সঙ্গে।
বাড়ির ভিতর কেমন
ব্রিজিত বার্দোর বাড়ির ভিতর দেখতে উষ্ণ এক ইন্টেরিয়রে সাজানো। ১৯৭০ এর দশকের প্রভাব লক্ষণীয়। একবিংশ শতাব্দীর প্রযুক্তি সাবেক এই অভিনেত্রীর কাছে এক আবর্জনা। কলম আর কাগজ ব্যবহার করে তিনি এখনও লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করেন। তিনি যে ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছেন, তা কাজ করে পশুর অধিকার নিয়ে। অনেক বছর ধরে তিনি পশুর কল্যাণের প্রতি প্রতিশ্রæতিবদ্ধ। এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেছেন, পশু রক্ষার চেয়ে গাড়ি রক্ষার জন্য অধিক আইন আছে। এটা এক অদ্ভুত ব্যাপার। এসব পশুর জন্যই আমি কখনো নিজেকে বুড়ো অথবা অনাবশ্যক মনে করি না। তার এসব কথার প্রতিফলন ঘটে তার বাড়ির ভিতরেই। পুরো বাড়িতেই আছে ছাগল, ঘোড়া, ভেড়া এমন কি শূকর।
অসুস্থ ব্রিজিত বার্দো
সেইন্ট ট্রোপেজে অনেক বছর ধরে আইসোলেশনে ব্রিজিত বার্দো। তবে আর্থাইটিস সহ নানা রকম স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন তিনি। এ জন্য তাকে একটি লাঠিতে ভর দিয়ে হাঁটতে হয়। অসুস্থ হলে কি! তিনি জীবনকে উপভোগ করেন। এখনও প্রতিদিন এক থেকে দুই গøাস শ্যাম্পেন পান করেন।
আরও ছবি



































































